দেশে ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। বাড়িয়ে তোলা হচ্ছে সচেতনতা। সরকার থেকে শুরু করে বিভিন্ন মাধ্যম, সেলিব্রিটি সকলেই নিজের মত করে সচেতন করে চলেছেন মানুষকে। কীভাবে মোকাবিলা করতে হবে পরিস্থিতির সঙ্গে! কীভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখবেন, প্রতিটা মুহূর্তে সেই পাঠ পড়াচ্ছেন সকলে। সকলকে বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।

পাশাপাশি বাড়িতেই কোয়ারেন্টাই করা হয়েছে হাজার হাজার মানুষকে। যাঁরা করোনা সংক্রমক ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন, কিংবা যাঁরা বাইরে থেকে এসেছে, যাঁদের হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এই ধরনের মানুষকে কোয়ারেন্টাইনে রাখতে মেনে চলতে হবে বেশ কিছু নিয়ম। যার ব্যতিক্রম হওয়া মাত্রই তা ছড়িয়ে পড়তে পারে সকলের মধ্যে। তাই হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকতে গেলে মাথায় রাখতে হবে কয়েকটি বিষয়। 

  • কোয়ারেন্টাইনে থাকার অবস্থায় আলাদা করে দিতে হবে স্নানের সাবান, গামছা তোয়ালে। তা অন্য কেউ যেন ব্যবহার করতে না পারে। 
  • খাবারের থালা থেকে শুরু করে ব্যবহারের বাসন করে দিতে হবে আলাদা। এতে সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেক কমবে। 
  • প্রতিদিন ঘর পরিষ্কার রাখতে হবে। স্যানিটাইজ করতে হবে ব্যবহারের জিনিসপত্র। 
  • বাইরে কোনও মতেই বেরনো যাবে না। ঘরের মধ্যেই থাকতে হবে ১৪ দিন। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। যোগাযোগ রাখতে হবে ডাক্তারের সঙ্গে। 
  • বাড়ির সকলেই বাড়ে বাড়ে হাত সাবান দিয়ে ধুতে হবে। ব্যবহার করতে হবে স্যানিটাইজার। 
  • আলাদা করে রাখতে হবে বিছানার চাদর থেকে শুরু করে ব্যবহারের সকল জিনিস। তবে গিয়ে সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

এভাবেই কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে কড়া নিরাপত্তায়। কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হচ্ছে মূলত দুই কারণে। এক সংক্রমণ থেকে বাঁচতে, আর দুই সংক্রমণ ছড়ানো থেকে বাঁচতে। দুই ক্ষেত্রেই বাইরের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন করতে হবে যোগাযোগ। তবেই সম্ভব হবে করোনা ঠেকানো। 

করোনা মোকাবিলায় রক্ষা করুন নিজেকে, মেনে চলুন 'হু' এর পরামর্শ

সাবধান, করোনা আতঙ্কের মধ্যে এই কাজ করলেই হতে পারে জেল

কী করে করোনার হাত থেকে রক্ষা করবেন আপনার বাড়ির বয়স্ক সদস্যদের, রইল তারই টিপস

শরীরে কীভাবে থাবা বসায় করোনা, জানালেন বিশেষজ্ঞরা