ক্রিকেটের বাইরে আরও বেশ কিছু সখ রয়েছে মহেন্দ্র সিং ধোনি। বাইকে বা গাড়িতে গতির ঝড় তোলা তার মধ্যে অন্যতম। তাছাড়াও সেনাবাহিনী, সেনাদের জীবন, বন্দুক,গুলি এগুলিও খবুই পছন্দ করেন ধোনি। সেনা বাহিনীতে সাম্মানিক পদ পাওয়ার পর একাধিকবার অবসর সময় ভারতীয় সেনার সঙ্গে কাটিয়েছেন মাহি। তবে অতিথি হিসেবে নয়, পুরো তাদের জীবন যাত্রায় অবলম্বন করে থাকেন মাহি। ফিটনেস ট্রেনিং থেকে খাওয়া দাওয়া সবকিছুই সেনা বাহিনীর নিয়ম মেনে করেন ধোনি। ২০১৯ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে হারের পরও মানসিক অবসাদ কাটাতে সেনাবাহিনীতে সময় কাটানোর জন্য গিয়েছিলেন মাহি। ধোনির অবসরের পর প্রাক্তন ভারত অধিনায়ককে সম্মান জানিয়ে কলকাতা পুলিস একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। তা থেকেই প্রমাণিত ২২ গজে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বন্দুক চালানোতেও সিদ্ধ হস্তক এমএস ধোনি।

আরও পড়ুনঃকেনও সন্ধা ৭টা ২৯ মিনিটে অবসর ঘোষণা ধোনির, পেছনে রয়েছে নাকি এই মহাজাগতিক কারণ

রবিবার কলকাতা পুলিসের তরফে একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়। ভিডিওটি ২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বরের। ইডেন থেকে  টিমবাসে না উঠে কিছুক্ষণ পর সোজা পিটিএসের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। সেখানে পুলিস কর্তাদের সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি পিস্তল চালানো অনুশীলন করেন মাহি। ভিডিওটিতে একের পর এক লক্ষ্যভেদ করেন এমএসডি। তাও একেবারেই অনায়াসে। ধোনির পিস্তল চালানোর ভঙ্গিমা দেখে বোঝার উপায় নেই যে ধোনি কারবার ব্যাট নিয়ে, পিস্তল নিয়ে নয়। সেদিনধোনির নিশানা ও পিস্তল চালানোর পারদর্শিতা দেখে মুগ্ধ হয়েছিল কলকাতা পুলিসও। পুলিশের কর্তারা জানিয়েছিলেন, ধোনির হাতে কথা বলে ব্যাট। আবার কথা বলে পিস্তলও।

আরও পড়ুনঃতাদের বন্ধুত্ব যেন 'জয়-বীরুর' মত, ধোনিকে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগতাড়িত হয়েছিলেন রায়না

আরও পড়ুনঃধোনির সেরা ১৫ ছবি, যা দেখে আপ্লুত হবেন আপনিও

ভিডিওটি শেয়ার কলকাতা পুলিসের তরফে লেখা হয়,'মহেন্দ্র সিং ধোনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেন গতকাল। ভারতীয় ক্রিকেটে একটা যুগের শেষ হল। আমাদের আমন্ত্রণে ধোনি লালবাজারে এসেছেন একাধিকবার। অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্রের খুঁটিনাটি বিষয়ে তাঁর আগ্রহ বরাবরের। বছরতিনেক আগে এসেছিলেন আমাদের পুলিশ ট্রেনিং স্কুলেও। ঘণ্টাখানেক ফায়ারিং প্র্যাকটিস করেছিলেন অখণ্ড মনোযোগে। সেই অনুশীলনের একটা ছোট ভিডিয়ো ভাগ করে নিলাম।' একইসঙ্গে কলকাতা পুলিসের তরফ থেকে ভারতের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়কের আগামি জীবনের জন্য শুভেচ্ছাও জানানো হয়েছে।