কলকাতার বুকে এমন কিছু ঠিকানা, যেখানে পাবেন উন্নতমানের ভাঙ

First Published 8, Mar 2020, 4:38 PM

বাঙালির বারো মাসে তোরো পর্বনের মধ্যে অন্যতম বড় উৎসব হল দোলযাত্রা উৎসব। ছোট থেকে বড় এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন। কবে আসবে এই দিন। বাঙালির দোল আর অবাঙালির হোলি, রঙের উৎসবে মেতে ওঠেন সকলেই। দুইদিন ব্যাপী মহাসমারোহে পালিত হয় এই দোলযাত্রা উৎসব।  আর মাত্র কয়েকঘন্টা তারপরই শুরু হবে দোল উৎসব। আর দোলের উৎসব মানেই সবার আগে মাথায় আসে ভাঙের কথা। ভাঙ না খেলে পুরো দোলটাই যেন কেমন ফিকে লাগে। ভাঙের নেশায় মাতোয়ারা বাঙালি এটা কথাটা একদমই সত্যি।  অতি সুস্বাদু জিনিস সহযোগে এটিকে তৈরি করা হয়। দুধ, চিনি, কেশর,আমন্ড, গোলাপের পাপড়ি, এলাচ দিয়ে এই দেশীয় পানীয়টি তৈরি করা হয়।  দেশীয় এই পানীয়টি খেতেও যেমন সুস্বাদু তেমনই এর নেশাও কড়া। কোথায় গেলে সবথেকে ভাল ভাঙ পাওয়া যেতে পারে এই প্রশ্ন অনেকেরই মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে। তাই মুশকিল আসান করতে রইল কলকাতার সেরা ৫ ভাঙের ঠিকানা।

বালিগঞ্জের এইচপি পেট্রোল পাম্পের বাইরে পানের দোকানঃ বালিগঞ্জের বিখ্যাত মগাই পানের দোকান এটি। সারাবছর এই দোকানে পান পাওয়া গেলেও দোলের এই বিশেষ দিনটিতে ভাঙ মেলে এই পানের দেকানে। পানওয়ালা বিভিন্ন জিনিস দিয়ে এই ভাঙ প্রস্তুত করে থাকে। একবার খেলে বারবার খেতে ইচ্ছে করবে এতে কোনও সন্দেহ নেই। যারা এখনও ট্রাই করেননি তারা এইবার কিন্তু ট্রাই করে দেখতেই পারেন।

বালিগঞ্জের এইচপি পেট্রোল পাম্পের বাইরে পানের দোকানঃ বালিগঞ্জের বিখ্যাত মগাই পানের দোকান এটি। সারাবছর এই দোকানে পান পাওয়া গেলেও দোলের এই বিশেষ দিনটিতে ভাঙ মেলে এই পানের দেকানে। পানওয়ালা বিভিন্ন জিনিস দিয়ে এই ভাঙ প্রস্তুত করে থাকে। একবার খেলে বারবার খেতে ইচ্ছে করবে এতে কোনও সন্দেহ নেই। যারা এখনও ট্রাই করেননি তারা এইবার কিন্তু ট্রাই করে দেখতেই পারেন।

ব়্যালিজঃ ব়্যালিজে বিভিন্ন ধরনের ঠান্ডা পানীয় পাওয়া যায়। তবে শুধু দোলের দিন নয়, সারা বছর ধরেই হরেক রকমের সরবত,  ঠান্ডা সিরাপ এখানে মেলে। চাইলে আপনিও একবার ট্রাই করতে দেখতে পারেন।

ব়্যালিজঃ ব়্যালিজে বিভিন্ন ধরনের ঠান্ডা পানীয় পাওয়া যায়। তবে শুধু দোলের দিন নয়, সারা বছর ধরেই হরেক রকমের সরবত, ঠান্ডা সিরাপ এখানে মেলে। চাইলে আপনিও একবার ট্রাই করতে দেখতে পারেন।

বাবা ভূতনাথের ভাঙঃ কলকাতার প্রসিদ্ধ ভাঙের মধ্যে এটি অন্যতম। বাবা ভূতনাথের মন্দিরের পাশেই এটি পাওয়া যায়। যে একবার এই ভাঙের গ্লাসে চুমুক সে বারেবারে যাবে এই ভাঙের নেশায়। গঙ্গার ঘাটে বসে পড়ন্ত সূর্য ডোবার সময় ভাঙের গ্লাসে চুমুক সে এক অন্য অনুভূতি। নিজে না খেলে তা ভাষায় বলে বোঝানো যাবে না। তাই আর দেরি না করে ট্রাই করে দেখুন বাবা ভূতনাথের ভাঙ।

বাবা ভূতনাথের ভাঙঃ কলকাতার প্রসিদ্ধ ভাঙের মধ্যে এটি অন্যতম। বাবা ভূতনাথের মন্দিরের পাশেই এটি পাওয়া যায়। যে একবার এই ভাঙের গ্লাসে চুমুক সে বারেবারে যাবে এই ভাঙের নেশায়। গঙ্গার ঘাটে বসে পড়ন্ত সূর্য ডোবার সময় ভাঙের গ্লাসে চুমুক সে এক অন্য অনুভূতি। নিজে না খেলে তা ভাষায় বলে বোঝানো যাবে না। তাই আর দেরি না করে ট্রাই করে দেখুন বাবা ভূতনাথের ভাঙ।

মৌচাকঃ এটি ভাঙ প্রেমীদের জন্য একটি আদর্শ জায়গা । দোলের দিন গাড়ির মেলা বসে যায় দোকানের বাইরে। ভাঙের নেশায় দূর-দূরান্ত থেকে তৃষ্ণা নিবারণ করতে লোকে আসে এই দোকানের সামনে। যে একবার খেয়েছে সে বারেবারে যায় এই ভাঙের টানে।

মৌচাকঃ এটি ভাঙ প্রেমীদের জন্য একটি আদর্শ জায়গা । দোলের দিন গাড়ির মেলা বসে যায় দোকানের বাইরে। ভাঙের নেশায় দূর-দূরান্ত থেকে তৃষ্ণা নিবারণ করতে লোকে আসে এই দোকানের সামনে। যে একবার খেয়েছে সে বারেবারে যায় এই ভাঙের টানে।

ভিখারামঃ সিটি সেন্টার ১-এর পাশেই অবস্থিত এই ভিখারাম। সল্টলেক অঞ্চলের মানুষদের কাছে অতি পরিচিত একটি জায়গা এই ভিখারী। দোলের দিন সুসজ্জিত গ্লাসে করে এই ভাঙ পরিবেশন করা হয়। অনায়াসেই পরিবার, বন্ধুবান্ধব সকলের সঙ্গে টাইম কাটাতে যেতে পারেন ভিখারামে। চাইলে ভিখারামে অন্য খাবারও ট্রাই করতে পারেন।

ভিখারামঃ সিটি সেন্টার ১-এর পাশেই অবস্থিত এই ভিখারাম। সল্টলেক অঞ্চলের মানুষদের কাছে অতি পরিচিত একটি জায়গা এই ভিখারী। দোলের দিন সুসজ্জিত গ্লাসে করে এই ভাঙ পরিবেশন করা হয়। অনায়াসেই পরিবার, বন্ধুবান্ধব সকলের সঙ্গে টাইম কাটাতে যেতে পারেন ভিখারামে। চাইলে ভিখারামে অন্য খাবারও ট্রাই করতে পারেন।

loader