Nepal Flash Flood 2026: ৬ লক্ষ ৭৯ হাজার SMS পাঠিয়েও কেন রক্ষা হল না! যে ভুলে ডুবল নেপাল

বন্যার পর প্রায় ৬ লক্ষ ৭৯ হাজার জরুরি SMS পাঠানো হলেও অনেক বাসিন্দার কাছে সতর্কবার্তা পৌঁছয় দেরিতে। পাশাপাশি নদীর জলস্তর পর্যবেক্ষণের একাধিক স্টেশনও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

Share this Video

নেপালে ভয়ঙ্কর Flash Flood 2026! পাহাড়ের বুক থেকে হঠাৎ নেমে এল বরফ, পাথর, মাটি আর জল, একসঙ্গে। কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই স্রোত নদীকে পরিণত করল ধ্বংসের স্রোতে। ভেসে গেল রাস্তা, সেতু, বাজার, বাড়িঘর এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো। ঘটনাটি নেপালের রাসুয়া ও নুয়াকোট এলাকায়। ২৬ অগস্ট লাংটাং লিরুং এলাকার পাহাড়ে হিমবাহের একটি বিশাল অংশ এবং তার নীচের পাথর-মাটি ভেঙে নেমে আসে। বরফ, কাদা, পাথর ও গলিত জলের সেই বিশাল স্রোত লেহেন্দে নদীর দিকে নেমে গিয়ে পরে ভুটে কোশি ও ত্রিশূলী নদীর সঙ্গে মিশে ভয়ঙ্কর Flash Flood তৈরি করে।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, এই বিপর্যয়ের মাত্র দুই সপ্তাহ আগেই রাসুয়া ও নুয়াকোটে নতুন করে Disaster Management Plan তৈরি করা হয়েছিল। তাহলে এত বড় বিপর্যয়ের সময় প্রস্তুতি কেন যথেষ্ট হল না? বন্যার পর প্রায় ৬ লক্ষ ৭৯ হাজার জরুরি SMS পাঠানো হলেও অনেক বাসিন্দার কাছে সতর্কবার্তা পৌঁছয় দেরিতে। পাশাপাশি নদীর জলস্তর পর্যবেক্ষণের একাধিক স্টেশনও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

সরকারি হিসেব অনুযায়ী, রাসুয়া, নুয়াকোট, ধাদিং, গোরখা ও চিতওয়ান মিলিয়ে প্রায় ৩৩ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। শুধু রাসুয়া ও নুয়াকোটেই আক্রান্ত প্রায় ২৪,৭০০ মানুষ।

এটি শুধু একটি ভয়ঙ্কর বন্যার ঘটনা নয়। হিমালয় অঞ্চলে বদলে যাওয়া দুর্যোগের ধরন এবং Disaster Management-এর প্রস্তুতি নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে এই ঘটনা। কেন পুরনো Disaster Plan এই ধরনের বিপর্যয় সামলাতে পারেনি? Early Warning System কোথায় আটকে গেল? আর ভবিষ্যতে এমন Flash Flood-এর আগে কীভাবে মানুষকে দ্রুত সতর্ক করা সম্ভব? দেখুন পুরো প্রতিবেদন।

Related Video