শহরে প্রাতঃভ্রমণ করতে বেরিয়ে হোক, কিংবা ঘুরতে বেরিয়ে যখন হোক  শহরের রাস্তা পারাপার করুন ওভারব্রিজের মাধ্য়েমে। অফিস কিংবা শপিং মলে লিফটের বদলে ব্য়বহার করুন সিঁড়ি। আর তাতেই মিলবে হাজারও উপকারিতা। তবে এখনকার   ব্যস্ত জীবনে আলাদা করে ওয়ার্ক আউটের জন্য আমরা সময় আমরা অনেকেই বের করতে পারি না। সেক্ষেত্রে দৈনন্দিন জীবনেই সামান্য কয়েকটি পরিবর্তন আনতে পারলে ফিট থাকা হতে পারে। শরীরের সঙ্গে আপনার মনও ভাল থাকবে। সিঁড়ি দিয়ে উঠলে কষ্ট হয় ঠিকই। কিন্তু বেশ ভালো একটি কার্ডিয়োভাস্কুলার একসারসাইজও হয়। ফিট থাকার জন্য সিঁড়ির উপর সম্পূর্ণ ভরসা করতে পারেন।  নিয়মিত সিঁড়ি ওঠার অভ্যেস থাকলে হৃদরোগের সম্ভাবনা কমে যায়। এছাড়া সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করলে উচ্চরক্তচাপ এবং ডায়াবিটিসের সম্ভাবনাও কমে।

আরও পড়ুন, রাজভবন ছেড়ে বেলুড়মঠে, স্বামীজির জন্মদিনে ধ্যানে বসবেন মোদী

 

১) সিঁড়ি দিয়ে বারবার ওঠানামা করলে মেটাবলিজম রেট বাড়ে। যা আমাদের ওজন কমাতে সাহায্য করে।

২) সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করলে অস্টিওরপোরোসিসের সম্ভাবনা অনেকখানি কমিয়ে ফেলা যায়।

৩) যে কোনও রকমের ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি আমাদের শরীরের সঙ্গে মনও ভালো রাখতে সাহায্য করে। সিঁড়ি ভাঙার ফলে আমাদের মনও খুব ভালো থাকে।

৪) সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করলে আপনার হার্টের পাশাপাশি ফুসফুসও ভালো থাকবে। এর ফলে ফুসফুসের কাজ করার ক্ষমতা অনেকটাই বাড়ে।

আরও পড়ুন, আহারে জুটবে বাহারি মাছ, কলকাতার নলবনে মৎস্য উৎসব


৫) লিফটের বদলে সিঁড়ি দিয়ে ওঠা বা গাড়ি একটু দূকে পার্ক করে কিছুটা পথ হেঁটে অফিস যাওয়া ফাংশনাল অ্যাক্টিভিটির মধ্যে পড়ে। এগুলি আপনার জয়েন্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে।

৬) প্রতিদিন অন্তত আটতলা পর্যন্ত হেঁটে উঠতে পারলে কম বয়সে মৃত্যুর আশঙ্কা অনেকটাই এড়িয়ে ফেলা যায়। প্রতিদিন সাত মিনিট করে সিঁড়ি ভাঙতে পারলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা ৩৩% কমে।

 

আশা করা যায় আপনি এখন থেকে সিড়ি ব্য়বহার করলে আগের থেকে শারীরিক ও মানুষিকভাবে ভাল থাকবেন।