অভিযোগ আসছিল বহুদিন ধরেই। রেশন দোকানে পর্যাপ্ত শস্য মজুত থাকলেও তা পৌঁছচ্ছিল না ক্রেতাদের হাতে। যাদের জন্য় এই গণ সরবরাহ ব্য়বস্থা উপকৃত হচ্ছিলেন না সেই বিপিএল তথা নিম্নবিত্ত মানুষ। শেষমেষ খবর পেয়ে ছুটির দিনে হাজির খোদ ক্রতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী সাধন পান্ডে।

আরও খবর : 'ঘরের ছেলেকে বলো', তৃণমূলের পাল্টা জনসংযোগ শুরু শুভ্রাংশুর

আরও পড়ুন :'জয় শ্রীরাম' নিয়ে প্য়ারোডি, 'দিদিকে বলো,হরি বলো' বাবুলের

একেবারে ক্রেতার মুখ থেকেই শুনে নিলেন যাবতীয় অভাব অভিযোগ। এদিন বিধাননগরের কাদাপাডা়র একাধিক রেশন দোকানে হানা দেন মন্ত্রী। অভিযোগ অনেক জায়গায় ২ টাকা কিলো দরে চাল পাচ্ছেন না দাবিদাররা। ২টাকায় সঠিক কার্ড থাকলেও কার্ডে চাল দিচ্ছে না রেশন দোকান। কোথাও বিপিএলের জায়গায় এপিএল কার্ড দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘ দুবছর ডিজিট্য়াল রেশন কার্ডের কাজ শুরু হলেও এখনও সবার কাছে কার্ড পৌছয়নি। যা নিয়ে মন্ত্রীকে অভিযোগ করেন ক্রেতারা।

আরও পড়ুন :কারাগারে জন্মেছিলেন শ্রীকৃষ্ণ, হুগলির পুলিশ ফাঁড়ির লক আপে গোপাল পুজো

আরও পড়ুন :গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না পুরোনো শত্রুতা, বাড়ির সামনে খুন তৃণমূল কাউন্সিলর

রাজ্য় রাজনৈতিক মহল বলছে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ১৮টি আসন পাওয়ার পর থেকেই জনসংযোগে জোর দিয়েছেন মুখ্য়মন্ত্রী। একেবারে প্রফেশনাল আদলে প্রশান্ত কিশোরকে এনে শুরু হয়েছে দলকে ঢেলে সাজানোর কাজ। রাজ্য়ে বিজেপির উত্থানের পর নিজেই মুখ্য়মন্ত্রী বলেছিলেন, এবার প্রশাসনিক দিকের পাশাপাশি দলকেও বেশি সময় দেবেন তিনি। ইতিমধ্যেই জনসংযোগ বাড়াতে রাজ্য়ে শুরু হয়েছে দিদিকে বলো কর্মসূচি। পিকের মতাদর্শেই এই কাজ শুরু করেছেন মুখ্য়মন্ত্রী বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রবিবার রেশন দোকানে সাধন ক্রতা সুরক্ষা মন্ত্রীর হানা দিদির জনসংযোগ কর্মসূচিরই অঙ্গ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। তবে রেশন দোকানে ক্রেতাদের অভাব অভিযোগ শুনলেও নিজে এই নিয়ে মুখ খোলেননি মন্ত্রী।