মানসিক অবসাদের জেরে কলকাতায় মেডিক্যাল ছাত্রী আত্মঘাতী। হস্টেলের ঘর থেকে উদ্ধার হল এক জুনিয়র চিকিৎসকের ঝুলন্ত দেহ। আত্মঘাতী ওই জুনিয়র চিকিৎসকের নাম মানসী মণ্ডল। হস্টেলের ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ ছিল। দরজা বন্ধ করে ঘরের ভিতর গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন আর আহমেদ ডেন্টাল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের বছর ছাব্বিশের পিজিটি ছাত্রী।

আরও পড়ুন, করোনা-আমফান নিয়ে প্রশ্নে জর্জরিত দল, ২১-র গদিতে ফিরতে আজ তড়িঘড়ি বৈঠক মমতার


বৃহস্পতিবার দুপুর সোয়া ১টা নাগাদ বন্ধ ঘরের দরজা ভেঙে আত্মঘাতী জুনিয়র চিকিৎসকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে এন্টালি থানার পুলিশ। ঘরের ভিতর থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে। পুলিস সূত্রে খবর, সেই সুইসাইড নোটে মানসিক অবসাদের কথা লেখা রয়েছে। সুইসাইড নোটে লেখা, জীবনের প্রতি আসক্তি হারিয়ে গিয়েছিল। স্বামী বেঙালুরুতে থাকেন। এদিকে লকডাউনের জেরে মার্চ থেকে দেখা হয়নি। 


একথা বন্ধু বা রুমমেটদের একাধিকবার মানসী জানিয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, এদিন সকালে সোয়া ৯টা নাগাদ বন্ধুদের ফোন করেন মানসী। বছর ছাব্বিশের জুনিয়র ডাক্তার বন্ধুদের তখন জানান যে তিনি এখনই কলেজে যাচ্ছেন না। কয়েকটা ওষুধ খেয়ে তারপর যাবেন। কিন্তু তারপর আর তাঁকে কলেজে আসতে না দেখে, শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। হস্টেলের ঘরে খোঁজ করতে এসে ঘরের দরজা খুলতে পারেন না লেডিস হস্টেলের সুপার। বিষয়টি তিনি তখনই কলেজ কর্তৃপক্ষকে জানান। খবর দেওয়া হয় এন্টালি থানায়। খবর পেয়ে হস্টেল চলে আসে পুলিশ।

 আরও পড়ুন, দলে বড়সড় রদবদল, তৃণমূলের রাজ্য কমিটিতে আনা হল ছত্রধর মাহাতোকে

এরপর  ডাকাডাকিতেও সাড়া না মেলায়, পুলিস দরজা ভাঙতেই মানসী মণ্ডলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরুলিয়ার বাসিন্দা মানসী মণ্ডল নর্থ বেঙ্গল ডেন্টাল কলেজের ছাত্রী ছিলেন। 
 

 

করোনায় ফের ১ এসবিআই কর্মীর মৃত্য়ু, মৃতের পরিবারকে চাকরি দেওযার দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীরা

   পূর্ব ভারতের প্রথম সরকারি প্লাজমা ব্যাঙ্ক-কলকাতা মেডিকেল, করোনা রুখতে প্রস্তুতি তুঙ্গে

  মৃত্যুর পর ২ দিন বাড়ির ফ্রিজে করোনা দেহ, অভিযোগ 'সাহায্য মেলেনি স্বাস্থ্য দফতর-পুরসভার'

  অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকলের পরও কোভিড জয়ী ৫৪-র দুধ ব্যবসায়ী, শহরকে দিলেন এক সমুদ্র আত্মবিশ্বাস

কোভিড রোগী ফেরালেই লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতালগুলিকে হুঁশিয়ারি রাজ্য়ের