এসবিআই কলকাতার সদর দফতরের সমৃদ্ধি ভবনে এবার আতঙ্ক। এলসিপিসি-এর মুখ্য় আধিকারিক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ডিসান হাসপাতালে ভর্তি আছেন।  আপাতত ওই ব্য়ঙ্ক আধিকারিকের পরিবার কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।   

আরও পড়ুুন, রাজ্য়ে করোনা আক্রান্তের অর্ধেকের বেশি কলকাতার,৭০০ থেকে একদিনে ৭৫৪


কলকাতা তপসিয়ার বাসিন্দা ব্যাঙ্কের এই শীর্ষ আধিকারিক সম্প্রতি বদলি হয়ে কলকাতায় আসেন। মঙ্গলবার তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এদিকে তিনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত বলে পরিবার সূত্রে খবর। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনি নিয়মিত অফিস যাতায়াত করতেন। লকডাউনের বাজারে  দফতরের কর্মীদের উপস্থিতি নিয়ে যে নির্দেশিকা জারি করেছিল, সেটা অক্ষরে অক্ষরে পালন করেছিলেন ওই শীর্ষ আধিকারিক। পরিবারের দাবি,  এলসিপিসি-এর দায়িত্ব প্রাপ্ত এই আধিকারিক নিজের কাজ নিয়ে বরাবর আবেগ তাড়িত ছিলেন। তাই তিনি কোনওভাবেই অফিস কামাই করতে চাননি। দিনকয়েক ধরেই সর্দি-কাশি এবং জ্বর শুরু হয়। জ্বরের মাত্রা বাড়তে থাকে। এরপরেই করোনা পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেয় পরিবার। করোনা আক্রান্ত ব্য়াঙ্ক আধিকারিকের দাবি,  করোনা ভাইরাস কীভাবে শরীরে প্রবেশ করেছে, সে সম্পর্কে তাঁরা কোনও সম্য়ক ধারণা পোষণ করতে পারছেন না। আপাতত ওই ব্য়ঙ্ক আধিকারিকের পরিবার কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন।   

 যদিও এই শীর্ষ আধিকারিক করোনা পজিটিভ হওয়া নিয়ে উঠতে শুর করেছে বহু প্রশ্ন। করোনা আক্রন্তের হদিশ মেলার পরেও এলসিপিসি দফতরে এখনও কাজ চলছে। বহু ব্য়াঙ্ক কর্মীর প্রশ্ন কেন এই দফতরটি আপাতত ১৪ দিনের জন্য় সিল করে রাখা হবে না। এখনও পর্যন্ত যা খবর, এলসিপিসি দফতরে সোমবার থেকে ফের কাজ শুরু হবে। ফলে মাত্র ৭ থেকে ৮ দিনের জন্য় দফতর বন্ধ করাটাকে কোনওভাবেই সমর্থন করেন না ব্য়াঙ্ক কর্মীরা। এই সব ব্য়ঙ্ক কর্মীদের দাবি, এলসিপিসি দফতরের সঙ্গেই জুড়ে আছে সমৃদ্ধি ভবন। এলসিপিসি দফতর থেকে একাধিক কর্মী অফিসিয়াল প্রয়োজনেই সমৃদ্ধি ভবনের মূল করিডোরে যাতয়াত করছেন।এলসিপিসি দফতরের এই মুখ্য় আধিকারিকের সংস্পর্শে  ঠিক কত জন এসেছেন, সেই সংখ্য়াটার হিসেব পাওয়া যাচ্ছে না। স্বভাবতই সমৃদ্ধি ভবনে কাজ করা বহু কর্মী, সদর দফতরকে আপাতত সিল করার দাবি জানিয়েছেন।

আরও পড়ুন, কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, দুর্যোগ চলবে আগামী আরও ৪৮ ঘণ্টা

অপরদিকে,  এসবিআই ব্য়াঙ্ক কর্মীদের অভিযোগ, লকডাউন চলাকালীন, ৫০ শতাংশ কর্মী হাজিরা নিয়ে ইউনিট এবং ব্য়াঙ্ক শাখা গুলিকে কার্যকর করে রাখার কথা। কিন্তু সেই নির্দেশিকা কোনও ভাবেই অনুসরণ করা হচ্ছে না এবং মানা হচ্ছে না সোশ্য়াল ডিসট্য়ান্সসিং। এর জেরে করোনা আক্রন্ত হওয়ার আশঙ্কায়, আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়ছেন ব্য়াঙ্ক কর্মীরাও।উল্লেখ্য়,  স্টেট ব্য়াঙ্ক অফ ইন্ডিয়া বন্ধ করছে  মুম্বই নারিম্য়ান পয়েন্টের কর্পোরেট অফিস। যাকে সবাই স্টেট ব্য়াঙ্ক ভবন বলে চেনে। জানা গিয়েছে, ওই শাখায় দুই কর্মীর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তারপরই বন্ধ করে দেওয়া হয় ওই স্টেট ব্য়াঙ্ক ভবন। এবং তারপরই ওই ভবনটিকে জীবাণুমুক্তকরণ করা হয়েছে।

 

 

করোনার থাবায় বন্ধ বাঘাযতীনের এক নার্সিংহোম, স্যানিটাইজেশনে বাঘাযতীন হাসপাতাল

কেন্দ্র বলছে ১৩৩, রাজ্য়ের হিসেবে করোনায় মৃত ৬৮

শুধু কলকাতাতেই করোনা আক্রান্ত ৭০০, মহানগরকে ঘিরে ঘুম ছুটছে রাজ্য়বাসীর

করোনা উপসর্গ সহ মিজোরামের বাসিন্দার মৃত্য়ু হল কলকাতায়, ক্যানসারের জন্য় তিনি ছিলেন চিকিৎসাধীন

রাজ্যে করোনায় মৃত্যুর হারে দেশের শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ, বলছে কেন্দ্রের টিম

রোগী ফেলে পালাতে পারল না অ্যাম্বুল্যান্স, পিপিই পরা স্বাস্থ্য়কর্মীদেরকে তীব্র প্রতিবাদ নাকতলাবাসীর