Darjeeling Tourism: দার্জিলিং থেকে কালিম্পং যেতে ২ ঘণ্টার জ্যাম? এবার সেই ভোগান্তি শেষ হতে চলেছে। কেন্দ্রের পার্বতমালা প্রকল্পের আওতায় দার্জিলিং-কালিম্পং সহ ৩টি রুটে রোপওয়ে তৈরির জন্য রাজ্যকে সমীক্ষা করতে বলেছে কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রক। দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তার দাবিতেই এই উদ্যোগ।
Darjeeling Ropeway: পাহাড়ে বেড়াতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যামে আটকে থাকার অভিজ্ঞতা কম বেশি সবারই আছে। বিশেষ করে শিলিগুড়ি থেকে দার্জিলিং যাওয়ার পথে জাতীয় সড়কে দিনে প্রায় ১৫,০০০ গাড়ি চলে। যা এই জাতীয় সড়কের ক্ষমতার দ্বিগুন। সেই যানজট কমাতেই এবার বিরাট পরিকল্পনা কেন্দ্রের।
কোন কোন রুটে হবে রোপওয়ে?
আপাতত তিনটি রুটে সমীক্ষা করতে বলা হয়েছে:
১. ঘুম - দার্জিলিং: দার্জিলিং শহরের ভিতরের যানজট কমাতে।
২. দার্জিলিং - বিজনবাড়ি: রাম্মাম নদীর ভ্যালি পর্যন্ত।
৩. ডেলো (দেউলো) - কালিম্পং: কালিম্পংয়ের পর্যটনের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এই রুটটিই কালিম্পং থেকে দার্জিলিং যাওয়ার সরাসরি আকাশপথ হবে।
এছাড়াও সাংসদ রাজু বিস্তা আরও কয়েকটি রোপওয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন, লেবং থেকে চৌরাস্তা, বাতাসিয়া থেকে রক গার্ডেন পর্যন্ত।
এটা কি পার্বতমালা প্রকল্প?
হ্যাঁ। কেন্দ্রের ‘পার্বতমালা’ প্রকল্পের উদ্দেশ্যই হল পাহাড়ি অঞ্চলে পরিবেশবান্ধব ও যানজটমুক্ত পরিবহণ ব্যবস্থা তৈরি করা। এর আগেই দার্জিলিংয়ের সিঙ্গামারি-টুকভার রোপওয়ে (যা ১৯৬৮ সালে শুরু) পর্যটকদের মধ্যে খুব জনপ্রিয়।
কবে শুরু হবে?
এখনই নয়। এখন কেবল ফিজিবিলিটি স্টাডি বা সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পর্যায়ে রয়েছে। কেন্দ্র রাজ্য সরকার ও জিটিএ-কে রিপোর্ট তৈরি করতে বলেছে। রিপোর্ট পাশ হলে এনএইচআইডিসিএল ডিপিআর তৈরি করবে। তারপর টেন্ডার ও নির্মাণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, সব ঠিক থাকলে ২০২৭-২৮ সালের মধ্যে কাজ শুরু হতে পারে।
কী কারণে তৈরি?
রাস্তায় ২-৩ ঘণ্টার পথ রোপওয়েতে ১৫-২০ মিনিটে যাওয়া যাবে। দূষণ কমবে, পর্যটন বাড়বে এবং স্থানীয়দের যাতায়াত অনেক সহজ হবে। সিকিম পর্যন্ত ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। এই প্রকল্পের কাজ শেষ হলে পর্যটকদের অনেক সুবিধা হবে। এই কারণেই কেন্দ্রীয় সরকার উত্তরবঙ্গ ও সিকিমের মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা আরও উন্নত ও সহজ করে তোলার চেষ্টা শুরু হয়েছে। কয়েক বছরের মধ্যেই এই কাজ শেষ হয়ে যেতে পারে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


