Darjeeling Tourism: দার্জিলিং ম্যালের ভিড় এড়িয়ে একটু শান্তি খুঁজছেন? সময় যেখানে থমকে যায়, মেঘেরা খেলা করে উঠোনে, এমন ৩টি স্বর্গীয় গ্রাম লুকিয়ে আছে দার্জিলিংয়েই। রইল লিংসেবং, তাগদা আর রঙ্গারুণের সম্পূর্ণ গাইড।

Darjeeling Tour: পুজোর ছুটিতে বা উইকেন্ডে দার্জিলিং যাওয়ার প্ল্যান করছেন কিন্তু ম্যালের ভিড় আর হোটেলের লাইন ভালো লাগছে না? তাহলে এবার ঘুরে আসুন দার্জিলিংয়ের তিনটি অফবিট গ্রাম থেকে, যেখানে সময় সত্যিই থমকে যায়। কোলাহল নেই, আছে শুধু পাহাড়, চা বাগান, কমলালেবুর গন্ধ আর নীরবতা।

১. লিংসেবং (Lingsebong) মেঘেদের দেশ

দার্জিলিং শহর থেকে মাত্র ১৪ কিমি দূরে, সোনাদার কাছে ছোট্ট গ্রাম লিংসেবং। এখনও গুগল ম্যাপে ঠিকঠাক আসে না এই গ্রাম। চারিদিকে ঘন পাইন বন, মাঝে মাঝে কয়েকটি রঙিন কাঠের বাড়ি।

কেন যাবেন: এখানে কোনও হোটেল নেই, আছে কয়েকটি সুন্দর হোমস্টে। সকালে ঘুম ভাঙবে পাখির ডাকে, জানালা খুললেই কাঞ্চনজঙ্ঘা। রাতে ক্যাম্পফায়ার আর বারবিকিউ। যারা একেবারে ডিটক্স করতে চান, তাদের জন্য আদর্শ। এখান থেকে তাকদা, তিনচুলে ঘুরে আসা যায়। খরচ- জনপ্রতি ১২০০-১৪০০ টাকা থাকা-খাওয়া সহ।

২. তাগদা / তাকদা (Takdah) ব্রিটিশদের ফেলে যাওয়া ইতিহাস

তাগদা নামটির অর্থ হল 'কুয়াশায় ঢাকা'। ব্রিটিশ আমলে এটি ছিল সেনাদের ছাউনি। তাই এখানে দেখবেন অনেক পুরনো ব্রিটিশ বাংলো, যা এখন হেরিটেজ হোমস্টে।

কেন যাবেন: তাগদা অর্কিড সেন্টার এখানকার প্রধান আকর্ষণ। শতাধিক প্রজাতির অর্কিড দেখতে পাবেন। পাশেই আছে রংলি রংলিয়ট চা বাগান। চা বাগানের মধ্যে দিয়ে হেঁটে বেড়ানো, ব্রিটিশ বাংলোয় বসে কফি খাওয়া, এক অন্য অনুভূতি। দার্জিলিং থেকে দূরত্ব প্রায় ২৮ কিমি। এটি তিনচুলে, লামাহাট্টা ট্যুরের সঙ্গেও জুড়ে নিতে পারেন।

৩. রঙ্গারুণ (Rangaroon) - চা বাগানের কোলে এক টুকরো স্বর্গ

দার্জিলিং শহর থেকে মাত্র ১২ কিমি দূরে, জোড়বাংলোর কাছে এই গ্রাম। দার্জিলিংয়ের সবচেয়ে পুরনো চা বাগানগুলির একটি হল রঙ্গারুণ টি এস্টেট।

কেন যাবেন: যদি চা বাগানের ভিতর থাকতে চান, তাহলে এর চেয়ে ভালো জায়গা নেই। চারিদিকে সবুজ চা বাগান, মাঝে ছোট ছোট বাড়ি। এখান থেকে পুরো দার্জিলিং শহর এবং কাঞ্চনজঙ্ঘার ১৮০ ডিগ্রি ভিউ পাওয়া যায়। সকালে চা বাগানে হাঁটা, বিকেলে চা ফ্যাক্টরি ভিজিট। ভিড় একদম নেই, তাই হনিমুন কাপলদের জন্য দারুণ।

কীভাবে যাবেন?

শিলিগুড়ি / NJP থেকে শেয়ার গাড়িতে ঘুম বা জোড়বাংলো, সেখান থেকে হোমস্টের গাড়ি আপনাকে নিয়ে যাবে। ২ রাত ৩ দিনের জন্য এই তিনটি গ্রাম একসঙ্গে প্ল্যান করতে পারেন। এবার পুজোয় দার্জিলিং ম্যাল নয়, একটু অন্য পথে হাঁটুন। এই তিনটি গ্রাম আপনাকে ফিরিয়ে দেবে মনের শান্তি।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।