শুভেন্দু অধিকারী ইঙ্গিত দিয়েছেন দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের জন্য মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হতে পারে। তিনি শিশুদের উপর মোবাইলের ক্ষতিকর প্রভাবের কথা তুলে ধরে বলেন, এই সংস্কার না হলে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি সম্ভব নয়।

বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে একের পর এক বদল এসেছে। যেমন বিভিন্ন ভাতা চালু হয়েছে, নানান প্রকল্প চালু হয়েছে, তেমনই অনেক নিয়মে এসে বদল। এবার আরও এক নিয়ম বদলের পথে হাঁটতে চলেছে বিজেপি সরকার। শিক্ষক দিবসের দিন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে মিলল এমনই ইঙ্গিত। এবার বাংলায় ক্লাস টুয়েলভ পর্যন্ত বন্ধ হতে চলেছে মোবাইল ব্যবহার। এমনই ইঙ্গিত মিলল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে।

শনিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, গুজরাতে দেখুন প্রথম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীদের মোবাইল ফোনে হাত দিতে দেওয়া হয় না। ভয়ঙ্কর ক্ষতি করছে মোবাইল ফোন। রাত দেড়টা- দুটোর আগে বাচ্চাকা ঘুমোতে যায় না, সারাক্ষণ মোবাইল ঘাঁটছে। বাবা-মা শুয়ে পড়েছে, আড়াল হতেই মোবাইল ঘাঁটা আরম্ভ করে দিচ্ছে। তার কথায় এই সমস্ত সংস্কার যদি না করেন, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং শিক্ষক দিবসের কোনও মানেই থাকবে না। এই মর্মেই তিনি বড়সড় ইঙ্গিত দিতে বলেন, খুব কঠিন সিদ্ধান্ত, ভোট কমে যাবে আমার।

প্রসঙ্গত, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তৎকালীন গুজরাটের শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব থেকে দূরে রাখা এবং স্মার্টফোন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ আনার জন্য একটি অ্যাডভাইজরি বা নির্দেশিকা তৈরি করতে হবে। যদিও সেটি এখনও বাস্তাবায়িত হয়নি।

শিশুদের ওপর স্মার্টফোন ও সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব নিয়ে মতামত জানতে মনোবিদ ও চিলড্রেন্স ইউনিভার্সিটির প্রতিনিধিদের নিয়ে আলোচনা করে গুজরাত সরকার। পরবর্তীতে এই বিষয় অর্থাৎ শিশুদের মধ্যে স্মার্টফোন আসক্তির শিক্ষাগত, মানসিক ও সামাজিক প্রভাব নিয়ে একটি সমীক্ষা চালায়। রিপোর্ট জমা পড়লেও এখনও অ্যাডভাইজরি চূড়ান্ত হয়নি।