Teachers Day 2026 News: শনিবার দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে শিক্ষক দিবস। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বাংলাদেশ (Bangladesh) সীমান্তবর্তী অঞ্চল বালুরঘাটেও শিক্ষক দিবস পালন করা হচ্ছে। এখানে পড়ুয়ারা যেমন শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে, তেমনই বিশেষভাবে সক্ষম পড়ুয়াদের জন্যও এক উদ্যোগ নিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা।
KNOW
Teachers Day 2026: শনিবার জাতীয় শিক্ষক দিবস। দিনভর যখন শিক্ষকদের শ্রদ্ধা জানাতে ব্যস্ত সারা দেশ, তখন দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাটে একদল শিক্ষক-শিক্ষিকার দিন কাটল একটু অন্যরকম কাজে। হাতে চক-ডাস্টার নয়, তাঁদের সামনে র্যাম্পে হাঁটার অনুশীলন। তাঁদের পাশে একদল ‘দেবশিশু’। সমাজের ভাষায় যারা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, সেই শিশুদেরই র্যাম্পে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে হাঁটার জন্য তৈরি করছেন সক্ষম সংস্থার শিক্ষিকারা। অজন্তা বিশ্বাস, সোনালি সিংহ রায়, মাম্পি কর্মকার, ঋতু দাস, মৃন্ময়ী রায়, সোমা ভাদুড়ী-সহ সক্ষমের প্রায় ১০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা দীর্ঘদিন ধরেই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের নিয়ে কাজ করছেন। তাঁদের লক্ষ্য একটাই, সমাজের মূল স্রোতে এই শিশুরাও যে সমান ভাবে এগিয়ে যেতে পারে, তা সকলের সামনে তুলে ধরা।
রবিবার বালুরঘাটে বিশেষ র্যাম্প শো
রবিবার বালুরঘাটে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে একটি র্যাম্প শো। চিকিৎসক জয়িতা গোস্বামীর উদ্যোগে সেই অনুষ্ঠানে অংশ নেবে সক্ষমের শিশুরাও। তাই শনিবার শিক্ষক দিবসের দিনেও ছুটি নয়। শিক্ষিকাদের নিয়ে রিহার্সালে ব্যস্ত শিশুরা। সাধারণ মডেলদের মতোই র্যাম্পে কী ভাবে হাঁটতে হবে, কোথায় থামতে হবে, কী ভাবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সামনে এগিয়ে যেতে হবে, তা অনুশীলন করানো হয় তাদের। অন্য মডেলদের কো-অর্ডিনেটররা যেমন তাঁদের তৈরি করছেন, ঠিক তেমনভাবেই নিজেদের ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে মহড়ায় ব্যস্ত ছিলেন সক্ষমের শিক্ষিকারা। শিক্ষক দিবসে তাই তাঁদের কাছে এটাই যেন ছিল সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।
র্যাম্প শোয়ের প্রস্তুতি
সক্ষমের শিক্ষিকা সোমা বৈশ্য বললেন, ‘জয়িতা গোস্বামী আমাদের কাছে এই প্রস্তাব রেখেছিলেন। তাঁর উদ্যোগেই আমাদের বাচ্চারা র্যাম্প শোয়ে অংশ নিচ্ছে। ওরাও যে আর পাঁচজনের মতো এই ধরনের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে পারে, সেটাই আমরা দেখাতে চাই। গত সাত-দশ দিন ধরে আমরা ওদের নিয়ে অনেকটা সময় দিয়েছি। আশা করছি, ওদের এই অংশগ্রহণ সকলের ভাল লাগবে।’ শোয়ের উদ্যোক্তা বিশাল রায়ের কথায়, ‘আগামীকাল বালুরঘাটে আমাদের র্যাম্প শো। সেখানে সক্ষমের বাচ্চারাও অংশ নেবে। গত সাত-দশ দিন ধরে সংস্থার শিক্ষক-শিক্ষিকারা প্রচুর পরিশ্রম করেছেন। আশা করছি, তাঁদের এই উদ্যোগ সকলের ভাল লাগবে।’ জয়িতা গোস্বামী বলেছেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই আমি ভিন্নভাবে সক্ষম শিশুদের নিয়ে কাজ করছি। ওদের এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের প্রস্তাব দিয়েছিলাম। সেই প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে সক্ষমের শিক্ষক-শিক্ষিকারা বাচ্চাগুলিকে তৈরি করেছেন।আশা করছি, আগামীকাল ওদের র্যাম্পে হাঁটা সকলের ভাল লাগবে।’
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।


