- Home
- West Bengal
- Kolkata
- ডিএ বা বেতন কমিশন নয়! রাজ্যের এই সরকারি কর্মীরা পাবেন মোটা টাকা সাম্মানিক! পুজোর আগেই ঢুকবে টাকা
ডিএ বা বেতন কমিশন নয়! রাজ্যের এই সরকারি কর্মীরা পাবেন মোটা টাকা সাম্মানিক! পুজোর আগেই ঢুকবে টাকা
দুর্গাপুজোর আগেই রাজ্যের এই সরকারি কর্মীদের জন্য বড় সুখবর। এঁদের সাম্মানিক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এর জন্য ৬২ কোটি ৫৫ লক্ষ ৯০ হাজার ৬৫০ টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি হয়েছে।

দুর্গাপুজো আসতে আর মাস দেড়েকের মতো বাকি। উৎসবের মরশুম শুরুর আগেই রাজ্যের এক শ্রেণির সরকারি কর্মীদের জন্য এল বড় সুখবর।

দুর্গাপুজোর আগেই রাজ্যের এই সরকারি কর্মীদের জন্য বড় সুখবর। এঁদের সাম্মানিক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার।
এর জন্য ৬২ কোটি ৫৫ লক্ষ ৯০ হাজার ৬৫০ টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি হয়েছে।
তবে এই সুখবর ডিএ বৃদ্ধি বা নতুন বেতন কমিশন সংক্রান্ত নয়। বরং বিধানসভা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করার জন্য এবার রাজ্যের পুলিশকর্মীদের সাম্মানিক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি হয়েছে।
জানা গিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের সময় বিভিন্ন দায়িত্বে থাকা পুলিশকর্মীদের জন্য এই সাম্মানিক দেওয়া হবে। ভোটের আগে ও ভোটের দিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাতে হয় পুলিশকে।
সেই দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবেই এবার তাঁদের সাম্মানিক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। ফলে পুজোর আগে এই ঘোষণাকে বাড়তি পাওনা হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মীদের একাংশ।
এই সাম্মানিক দেওয়ার জন্য বিপুল অর্থ বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, মোট ৬২ কোটি ৫৫ লক্ষ ৯০ হাজার ৬৫০ টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে। অর্থাৎ নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকারী পুলিশকর্মীদের সাম্মানিক বাবদ ৬২ কোটিরও বেশি টাকা খরচ করবে রাজ্য।
রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে এখন সবচেয়ে বেশি চর্চায় রয়েছে ডিএ বৃদ্ধি। অক্টোবরে ডিএ বৃদ্ধির বিষয়টি নিয়েও ইতিমধ্যেই আগ্রহ রয়েছে সরকারি কর্মীদের মধ্যে।
তার আগেই পুলিশকর্মীদের জন্য এই সাম্মানিক ঘোষণায় নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, এটি নিয়মিত বেতন বা ডিএ-র অংশ নয়। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য এককালীন সাম্মানিক হিসেবেই এই অর্থ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
বিধানসভা নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা বজায় রাখার মতো একাধিক দায়িত্ব পালন করতে হয় পুলিশকর্মীদের। পুজোর মরশুমের আগে এই ঘোষণা তাঁদের জন্য নিঃসন্দেহে বাড়তি স্বস্তির খবর।

