Kolkata News: আর পাঁচটা সাধারণ বন্দিদের মতো নয়। গ্রেড ওয়ান বন্দি হিসেবে জেলে থাকতে চান কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। কী জানালো আদালত? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন… 

Kolkata News: তোলাবাজি ও আর্থিক তছরূপ এবং জমি দখল, নেক্সাস মামলায় ধৃত কলকাতার প্রাক্তন ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিনহা বিশ্বাস এবং কুখ্যাত অপরাধী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পু। ধৃতদের আগামী ১ জুন পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের। শুনানি চলাকালীন প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের আইনজীবী আদালতের কাছে কোনও জামিনের আবেদন জানাননি। তবে তিনি যেহেতু পুলিশ আধিকারিক হিসাবে একাধিক তদন্ত করেছেন এবং একাধিক ব্যাক্তিকে গ্রেফতার করেছেন এবং তাদের কিছুজন দোষী সাব্যস্ত হয়ে জেলে রয়েছেন । সেই অপরাধীদের থেকে শান্তনুর আশঙ্কা রয়েছে। তাই তাকে গ্রেড ১ বন্দি হিসাবে গণ্য করার আবেদন করা হয়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কালীঘাটের প্রাক্তন ওসির কতদিন পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ আদালতের? 

তবে অপর অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুর পক্ষ থেকে জামিনের আর্জি পেশ করা হয়। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এর আইনজীবীরা এই জামিনের আবেদনের তীব্র বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর আদালত সোনা পাপ্পুর জামিনের আবেদন নাকচ করে দেয়।

অন্যদিকে শান্তনু সিনহা বিশ্বাস জেলে বন্দি থাকাকালীন 'গ্রেড-১' কয়েদির মর্যাদা পাবেন কি না, শুনানি শেষে আদালত শান্তনুর 'গ্রেড-১' স্ট্যাটাস সংক্রান্ত নির্দেশ বা রায় আপাতত স্থগিত (Reserve) রেখেছে। আগামী ১ জুন পরবর্তী শুনানির দিন এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যেতে পারে। আপাতত দুজনেই আগামী সোমবার পর্যন্ত জেলে থাকছেন।

উল্লেখ্য, ইডির হাতে গ্রেফতার দীর্ঘদিন হাজিরা না দিয়ে বেপাত্তা থাকা শান্তনু (ED Shantanu Sinha Biswas Raid)। কলকাতা পুলিশের ডিসিপি শান্তনু সিংহ বিশ্বাসকে গ্রেফতার করে ইডি। সোনা-পাপ্পু মামলায় তাকে হেফাজতে নেয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (shantanu sinha biswas arrest)। আগেই কেন্দ্রীয় এজেন্সির দফতরে গিয়ে আত্মসমর্পণ শান্তনু। এরপর কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে ইডি। প্রায় ১০ ঘণ্টার উপর জেরা করা হয় শান্তনুকে। তারপর রাতে তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি। 

উল্লেখ্য, সোনা-পাপ্পু মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি শান্তনুকে একাধিকবার তলব করে ইডি। কিন্তু প্রতিবার তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান বলে অভিযোগ ওঠে। তাঁর বাড়িতে তল্লাশিও চালানো হয়। ইডি সূত্রে জানা গেছে, শুধু সোনা পাপ্পু নয়! কলকাতা এবং দিল্লির দফতরে একাধিক মামলায় শান্তনুকে তলব করে কেন্দ্রীয় এজেন্সি।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।