Ritabrata Banerjee On TMC: তৃণমূলের প্রতীক নিয়ে দ্বিধাবিভক্ত ঘাসফুলের দুই শিবির। প্রতীক যাবে কার দখলে? কী বলছেন ঋতব্রতপন্থী তৃণমূল নেতারা? বিস্তারিত জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।

Ritabrata Banerjee On TMC: নির্বাচন কমিশনের শুনানি, তৃণমূলের প্রতীক নিয়ে টানাপোড়েন এবং ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নথি জমা দেওয়ার নির্দেশ- এইসব নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপধ্যায়। মমতা-অভিষেক বিরোধী তৃণমূল নেতা-বিধায়ক ঋতব্রতের দাবি, ১৬ তারিখ কোনও শুনানি ডাকা হয়নি? প্রয়োজন হলে ১৭ সেপ্টেম্বর কমিশন ফের শুনানি করতে পারে। পাশাপাশি তৃণমূলের দলীয় প্রতীক, প্রার্থী দেওয়া এবং CID-এর জমি দুর্নীতি তদন্ত নিয়েও একাধিক মন্তব্য করেন তিনি।

জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে বড় কথা জানালেন ঋতব্রত

তৃণমূলের প্রতীকের আসল মালিক কে? এই নিয়ে বিবাদ এবার নিস্পত্তির দিকে। শনিবার চুড়ান্ত শুনানির জন্য দু’পক্ষকেই ডাকা হয়। এদিন প্রথমে ডাকা হয় ঋতব্রত শিবিরকে। ‘আসল’ তৃণমূলের তরফে ঋতব্রত-সহ অরূপ রায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, আখরুজ্জামান এবং আইনজীবী আমন ঝাঁ কমিশনের দফতরে যান। জানা গিয়েছে, সেদিন প্রায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিটের বৈঠকের শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিরোধী দলনেতা জানিয়েছিলেন, কমিশনের যাবতীয় প্রশ্নের জবাব তাঁরা দিয়েছেন। যা যা নথি কমিশনের তরফে চাওয়া হয়েছিল, সেগুলি জমাও করা হয়েছে। সার্বিকভাবে তাঁরা বৈঠকে সন্তুষ্ট এবং প্রতীক পাওয়ার ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত।

ওই বৈঠক শেষে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করে ঋতব্রত বলেন, “আমরা কমিশনকে স্পষ্ট জানিয়ে এসেছি, না খাতা না বহি-জো ডক্টর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কহে ওহি সহি, সেটা আর চলবে না। তৃণমূল কংগ্রেস কারও একার সিদ্ধান্ত চলবে না। যখন তখন ইচ্ছামতো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া চলবে না। তৃণমূল কংগ্রেস কোনও পরিবারের দল নয়। তৃণমূল কংগ্রেস কারও বাপের দল নয়। এটা তৃণমূল স্তরের কর্মীদের দল।” তাৎপর্যপূর্ণভাবে বিরোধী দলনেতা যখন চড়া সুরে মমতাকে বিঁধছেন, তখন তাঁর পাশে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, অরূপ রায়, আখরুজ্জামানের মতো মমতার পুরনো অনুগামীরাও উপস্থিত ছিলেন। নিঃশব্দে ঋত’র কথায় সায় দিয়েছেন। এখন দেখার 'প্রতীক' নিয়ে শেষ পর্যন্ত শেষ হাসি কে হাসে।

Scroll to load tweet…

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।