বিজয় দিবসের সুবর্ণ জয়ন্তী, দেশ ঘুরে এবার কলকাতায় বিজয় মশাল

Published : Mar 16, 2021, 03:34 PM ISTUpdated : Mar 16, 2021, 03:42 PM IST
বিজয় দিবসের সুবর্ণ জয়ন্তী, দেশ ঘুরে এবার কলকাতায় বিজয় মশাল

সংক্ষিপ্ত

১৬ ডিসেম্বর দিনটি বিজয় দিবস হিসেবে পালিত হয় এবছর তারই সুবর্ণ জয়ন্তী পালিত হচ্ছে দেশ জুড়ে ২০২০ -র ১৬ ডিসেম্বর ৫০ বছর পূর্তি হয়েছে  ওই দিন নরেন্দ্র মোদী একটি মশাল জ্বালান সেই মশালই এল সিস্টার নিবেদিতা বিশ্ববিদ্যালয়ে 

১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে জয় হয় ভারতের। এরপর থেকেই ১৬ ডিসেম্বর দিনটি বিজয় দিবস হিসেবে পালিত হয়। এবছর তারই সুবর্ণ জয়ন্তী পালিত হচ্ছে দেশ জুড়ে। ২০২০ -র ১৬ ডিসেম্বর ৫০ বছর পূর্তি হয়েছে। ওই দিন নরেন্দ্র মোদী একটি মশাল জ্বালান। তিনি এর নামকরণ করেন 'স্বর্ণিম বিজয় মশাল'। সেই বিজয় মশালই এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে দেশের নানা প্রান্তে। ১৫ মার্চ, সোমবার সেই মশাল আসে কলকাতায়। নিউটাউনের সিস্টার নিবেদিতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছয় মশাল। নিবেদিতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য সত্যম রায়চৌধুরির হাতে তুলে দেওযা হয় এই মশাল। সেনা বাহিনীর সদস্যরা তাঁর হাতে তুলে দেন এই মশালটি। মশালটি রাখা হয় পোডিয়ামে। রাখার সঙ্গে সঙ্গেই মিলিটারি ব্যান্ডে বেজে ওঠে জাতীয় সঙ্গীত। পরে শ্রদ্ধার সঙ্গে সেই মশাল নিয়ে যাওয়া হয় সেমিনার হলে। সেখানে নানান অনুষ্ঠানও হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয়ে এই মশাল আসায় গর্ব বোধ করছেন উপাচার্য শ্রী সত্যম রায়চৌধুরি। তিনি জানান, 'পশ্চিমবঙ্গে এই মশাল একমাত্র আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েই এসেছে'। এছাড়াও ভারত সরকারের এই উদ্যোগের প্রশাংসা করেন তিনি। তিনি এও বলেন, এই অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে নতুন প্রজন্ম ভারতের বীর যোদ্ধাদের ত্যাগের ইতিহাস জানবে। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য তথা অধ্যাপক ধ্রুবজ্যোতি চট্টোপাধ্যায় জানান, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপক হয়ে তিনি গর্ব বোধ করছেন। তিনি আরও জানান, এই মশাল কেবল মাত্র সিস্টার নিবেদিতা বিশ্ববিদ্যালয়েই এসেছে এবং এতে তাঁর গর্ববোধ হচ্ছে।

আরও পড়ুন- দিঘা-মন্দারমণি একঘেয়ে হয়ে যাচ্ছে, তবে ঘুরে আসুন দীঘার কাছেই থাকা এই জায়গায়

আরও পড়ুন- অতিমারি-তে কাজ গিয়েছে মা-এর, সংসারের হাল ধরতে এখন চা-ওয়ালা সুভান
মশালটি সেমিনার হলে নিয়ে যাওয়ার পরে সেমিনার হলে বেশ কিছু অনুষ্ঠান চলে। ১৯৭১ -এর ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ নিয়ে সেখানে একটি তথ্যচিত্রও দেখানো হয়। সর্ব শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত ও দেশাত্মবোধক নানান গান গায়। শেষে ফের মিলিটারি ব্যান্ডে বেজে ওঠে জাতীয় সঙ্গীতের সুর এবং অনুষ্ঠান শেষ হয়।

  

 

PREV
click me!

Recommended Stories

Mahakal Temple: বুদ্ধ পূর্ণিমার ভোরে 'ভস্ম আরতি' চলছিল, মাটি সরাতেই বেরিয়ে এল শিবলিঙ্গ
Bhagwant Mann: মদ্যপ অবস্থায় বিধানসভায় অভব্য আচরণ মুখ্যমন্ত্রীর? প্রতিবাদে ওয়াকআউট বিরোধী বিধায়কদের