কেন্দ্রীয় সরকারের টিকা কর্মসূচি ও লকডাউন প্রাণ বাঁচিয়েছিল কোটি কোটি মানুষের, দাবি স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্টে

Published : Feb 24, 2023, 04:28 PM IST
pm modi

সংক্ষিপ্ত

করোনাভাইরাসের সংক্রমণকালে মোদী সরকারের লকডাউন থেকে টিকা কর্মসূচি নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করল স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। বলা হয়েছে টিকা ৩৪ কোটি মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছে। 

কোভিড মহামারির ভয়ঙ্কর সময় এখন অতীত। কিন্তু ভারত সরকারের কোভিড - ১৯ মহামারির সময়কালে গ্রহণ করা কর্মসূচি এখনও বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রহের বিষয়। যার প্রমাণ দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্প্রতিক একটি রিপোর্ট। সেখানে বলা হয়েছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে ও দেশের মানুষের প্রাণ বাঁচাতে লকডাউন আর টিকাকরণ কর্মসূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছে।

স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যলয়ের রিপোর্টে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের বিস্তার প্রতিরোধ আর নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ছিল প্রথম দফার লকডাউন। টানা ১৭৫ দিন লকডাউন হয়েছিল। যদিও ফ্রান্স, ইতালির মত দেশগুলিতে লকডাউন হয়েছিল ৫০ দিনের মত। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলে করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে একাধিক পদক্ষেপ করে ছিল মোদী সরকার। স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর ওপরেও বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছিল। কেন্দ্র, রাজ্য ও জেলা স্তরেও স্বাস্থ্য অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছিল।

স্ট্যানফোর্ড রিপোর্টে লকডাউন পর্বে আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের সুবিধের জন্য মোদী সরকার যেসব প্রকল্পগুলি নিয়েছিল সেগুলির কথাও তুলে ধরা হয়েছে বলা হয়েছে গরিব কল্যাণ যোজনার মাধ্যমে প্রচুর মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছিল। কেন্দ্রীয় সরকার। সেই সময় যে খাদ্যশস্য বিলি করা হয়েছিল তার কথাও উল্লেখ রয়েছে রিপোর্ট। এই প্রকল্প দেশের আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিকত করেছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের মূল উদ্দেশ্যই ছিল কোনও মানুষ যাতে খালি পেটে ঘুমাতে না যায় তা নিশ্চিত করা।

লকডাউনের কারণে প্রচুর মানুষ কাজ হারিয়েছিল। সেক্ষেত্রে তাদের জন্য নতুন করে কাজের সুযোগও তৈরি করেছিল মোদী সরকার। আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষ সুবিধে পেয়েছেন। আর্থিক প্রভাব ছিল ৭ বিলিয়ন ডলার। জনগণের ১২৫ দিনের কাজ নিশ্চিত করা উদ্দেশ্য ছিল এই প্রকল্পের মাধ্যমে।

কৃষিখাতেও কেন্দ্রীয় সরকার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছিল। নাবার্ড প্রকল্পের মাধ্যমে ৩০ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছিল । যার অধিকাংশ টাকাই সমবায় ও গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলির মাধ্যমে দেওয়া হয়েছিল। রিপোর্টে উল্লেখ করা হ কিষান ক্রেডিট কার্ডের কথাও। বলা হয়েছে ২ লক্ষ কিষান ক্রেডিট কার্ড বিলি করা হয়েছিল। কৃষকদের লোকসান থেকে বাঁচানোই মূল উদ্দেশ্য ছিল মোদী সরকারের।

কোভিড টিকা ৩৪ কোটি মানুষের প্রাণ প্রাণ বাঁচিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্টে। ২০২১ সাল থেকেই ভারতে কোভিড টিকা চালু হয়েছিল। রিপোর্টে বলা হয়েছিল টিকার কারণে জীবন আর জীবিকা দুটোই বেঁচেছিল। আর টিকার কারণে ভারতের অর্থনীতি চাঙ্গা ছিল।

কোভিড টিকা প্রবীণদের পাশাপাশি তরুণ ও মধ্যবয়স্কদেরও জীবন বাঁচিয়েছিল। কোভিড টিকার কারণে জিডিপি তেমনভাবে পড়ে যায়নি বলেও দাবি করা হয়েছে রিপোর্টে। কেন্দ্রীয় সরকারের টিকা কর্মসূচির কারণে দেশটির আর্থনীতি দ্রুত পুনরুদ্ধার হয়েছিল।

আরও পড়ুনঃ

আর্থিক সংকটে ভোগা পাকিস্তানকে সাহায্য নয়, স্পষ্ট ইঙ্গিত বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের

অবশেষে 'সুপ্রিম' স্বস্তি পবন খেরার, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য কংগ্রেস নেতার

তৃণমূলকে দলভাঙানোর রাজনীতি বন্ধ করতে হবে, আবারও কংগ্রেসের নিশানায় ঘাসফুল শিবির

PREV
click me!

Recommended Stories

UP Agriculture: ৯ বছরে বদলে গেছে উত্তরপ্রদেশের কৃষি! ৮৬ লক্ষ কৃষকের ঋণ মকুব, উৎপাদনেও রেকর্ড
PM Narendra Modi: ৮,৯৩১ দিন! সরকারের প্রধান হিসেবে ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন প্রধানমন্ত্রী মোদীর