
নখ নিয়ে নানা ধরণের আর্টও এখন ফ্যাশনে ইন। নেলআর্টে মজেছে এখন টিন এজাররা। আর এই ধরণের কৃত্রিম আর্ট থেকে হতে পারে নখের নানান সমস্যা । এছাড়া নখ পরিচর্যা ঠিকমতো না হলে সেখান থেকে নানা রোগের সৃষ্টি হয়। যেমন নখ নিয়ে অতি পরিচিত একটি রোগ হল নখকুনি। অনেকক্ষণ ধরে জল ঘাটলে এই রোগের প্রবণতা অনেক বেশি দেখা যায়। এছাড়া ধুলো, মাটি, ঘাম থেকেও এই রোগ হয়। ক্যানডিডা অ্যালবিক্যানস নামে এক ধরণের ছত্রাকের জন্যই এই নখকুনি হয়। এছাড়া যারা নিয়মিত নখ পরিস্কার করে না তারাও কিন্তু এই রোগে আক্রান্ত হন। যেমন নখকুনি হওয়ার আগেই আপনি বুঝতে পারবেন যে এই রোগটি হতে চলেছে। প্রথমত, নখের গায়ে লেগে থাকা ত্বক ফুলে ওঠে, যা থেকে খুব ব্যথা হয়। অনেকের সেখান থেকে ইনফেকশনও হয়ে গিয়ে ফোলা অংশটি লাল হয়ে যায়। এছাড়া তা থেকে পুঁজ হওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। কীভাবে মুক্তি পাবেন এই সমস্যা থেকে।
নখকুনির সমস্যায় জেরবার হয়ে অনেকেই অনেক কিছু ট্রাই করেছেন। এত কিছুর পরেও সেই সমস্যা থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না, নখের যত্নে এবং নখকুনি থেকে মুক্তি পেতে একবার ট্রাই করে দেখুন ঘরোয়া এই টোটকাগুলি।
মাথা যন্ত্রণা করলে আমরা কমবেশি প্রত্যেকেই বাম ব্যবহার করি। তেমনি খারাপ নখকে ভাল করতেও এই জুড়ি মেলা ভার। নখকুনির জায়গায় এই বাম লাগালে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
মাউথ ফ্রেশনার লিস্টারিনে মেন্থল থাকে। আর ভিনিগারে থাকে ছত্রাক। এই দুটি মিশ্রণকে একসঙ্গে মিশিয়ে ঘন্টাখানেক লাগিয়ে রাখুন। নখকুনির সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।
ভুট্টার গুড়োকে একটি প্যানে ঢেলে সামান্য জল দিয়ে ফুটিয়ে নিন। তারপর ব্যথা জায়গায় লাগিয়ে রাখুন। সপ্তাহে একবার লাগান আর নিজেই ম্যাজিকটা দেখুন।
চা গাছের তেল অর্থাৎ টি-ট্রি তেল ছত্রাক দমনে খুবই উপকারী। নখের মধ্যে সেই তেল দিয়েও অনায়াসেই উপকার পেতে পারেন।
ইউরিয়া রয়েছে এই ধরণের ক্রিম ও লাগাতে পারেন নখকুনিতে। ইউরিয়াও ছত্রাক মারতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। তবে এই ধরণের কোনও কিছু লাগানোর আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে তারপরেই লাগান।
ঠিকমতো চিকিৎসা হলে এই রোগ খুব তাড়াতাড়ি সেরে যায়। তবে বেশি পরিমাণে জলের কাজ করলে নখকুনি হওয়ার ঝুঁকিও থেকে যায়। অনেকের আবার নখকুনি থেকে ইনফেকশন হয়ে যায় তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News