দেশের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ক্রমশই বাড়ছে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনেরও বেশি মানুষে। উল্কা গতিতে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এই অবস্থায় হাত গুটিয়ে বসে থাকতে নারাজ ডিফেন্স রিসার্ট ডেভলপমেন্ট অর্গানাইজেশন। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী পরোক্ষাভাবে মাস খানেক আগে থেকেই প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অধীনে থাকা এই দফতরটি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামিল হয়েছিল। এবার তাঁরা আরও সামনে আসছে। পাশে দাঁড়াচ্ছে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীসহ বহু মানুষ আছেন যাঁরা করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিরুদ্ধে নিরন্তন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের জন্যই ডিআরডিও নিয়ে আসছে বিশেষ পোষায়। বায়ো স্যুট। দেশে ডিআরডিও বিভিন্ন কেন্দ্রে পরীক্ষানীরিক্ষা চলছে এই বিশেষ পোষাকের। পোষাকে ব্যবহৃত কাপড়ের মানের সঙ্গেই জোর দেওয়া হচ্ছে উন্নত প্রযুক্তিতে।  পার্সোলান প্রোটেকশন ইকুইপমেন্টের সঙ্গে কোনও ভাবেই আপোষ করতে রাজি নন তাঁরা। 

প্রথমে অবস্য পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্ট হিসেবে এই বায়ো স্যুট চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্যই সরবরাহ করা হবে। দেশে পার্সোনাল প্রোটেকশন ইকুইপমেন্টের তীব্র চাহিদা রয়েছে। তবে বর্তমাবে  মাত্র ৭ হাজার পিপিই সরবরাহ করা হয়। আগামী দিনে ১৫ হাজার পিপিই সরবরাহ করা হবে বলেও জানান হয়েছে। যারজন্য এই সংস্থার বিভিন্ন কেন্দ্রে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েগেছে যুদ্ধকালীন তৎপরতা। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ভেন্ডারদের সঙ্গে কথা বলা শুরু হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ ভারতে করোনাভাইরাসের আঁতুড় ঘর কি নিজামুদ্দিন, ২ দিনে সংক্রমিত ৬৪৭

আরও পড়ুনঃ লকডাউনই জন্ম করোনা আর কোবিডদের, আলাপ করুন তাদের সঙ্গে

আরও পড়ুনঃ ১৯৪৮-এর পদক্ষেপই করোনা-যুদ্ধে বাঁচাবে ভারত-কে, আশার আলো মার্কিন গবেষণায়

ডিআরডিও-র পক্ষ থেকে জানান হয়েছে ইতিমধ্যেই এই সংস্থার প্রায় দেড় কোটি মিলিলিটার স্যানিটাইজার সরবরাহ করেছে দেশের সুরক্ষা কেন্দ্রগুলিতে। সংস্থার পক্ষ থেকে আরও জানান হয়েছে ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহার করে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় পাঁচ স্তরের মুখোশ আর এন৯৯ মাস্ক তৈরি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এক লক্ষ মুখোশ তৈরি করা হয়েছে। আগামী তৈরি হবে ২০ লক্ষ মুখোশ। দিল্লি পুলিশকে প্রায় ৪০ হাজার ফেস মাস্ক ইতিমধ্যেই সরবরাহ করেছে ডিআরডিও।