তেলেঙ্গানার সেকেন্দ্রাবাদ ক্যান্টনমেন্টে সেনার অস্ত্রাগার থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটের ঘটনা ঘটে। সোমবার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর তল্লাশি শুরু হয় এবং মঙ্গলবার দুপুরে চুরি হওয়া সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
সেনার অস্ত্রাগার থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র লুটের ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সোমবার তেলেঙ্গানার সেকেন্দ্রাবাদ ক্যান্টনমেন্টে ঘটনাটি ঘটে। খবর প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় তল্লাশি। অবশেষে মঙ্গলবার দুপুরে চুরি হওয়া অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোথা থেকে এই অস্ত্র উদ্ধার হল, তা নিয়ে আপাতত মুখ খোলেননি সেনা কর্তৃপক্ষরা।
সেকেন্দ্রাবাদ ক্যান্টনমেন্ট এলাকা বোলারাম থানা এলাকার মধ্যে পড়ে যা হায়দরাবাদের মালকাজগিরি পুলিশ কমিশনারেটের অংশ। জানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শেষবার অস্ত্রাগারের বন্দুক এবং গোলাবারুদের হিসেব করা হয়েছিল। সোমবার সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে দেখা যায়, অস্ত্রাগারের তালা ভাঙা। চারটি AK47, সাতটি পিস্তল, ২১টি ম্যাগাজিন, প্রায় ১৯ হাজার রাউন্ড গুলি উধাও। পরে গোটা ক্যান্টনমেন্টে হাই অ্যালার্ট জারি করে সেনা। অভিযুক্তদের খুঁজে বের করতে বিশেষ দল গঠন করা হয়। তল্লাশি শুরু হয়। তল্লাশি শুরুর ২৫ ঘন্টার মধ্যে সমস্ত অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। তবে, ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হল কিনা, কিংবা কীভাবে কেউ বা কারা এত অস্ত্র সেনা ব্যারাক থেকে সরিয়ে নিয়ে গেল তা জানা যায়নি। অস্ত্র উদ্ধারের খবর প্রকাশ করলেও এর পিছনে কারা রয়েছে সে বিষয় কোনও মন্তব্য করেনি সেনা কর্তৃপক্ষরা।
জানা গিয়েছে, সেনার পাশাপাশি স্থানীয় পুলিশও ঘটনার তদন্ত করছে। অস্ত্রাগার থেকে কীভাবে এত বিপুল অস্ত্র বের করা হল, সেটিই এখন তদন্তকারীদের কাছে অন্যতম প্রশ্ন। তবে, জানা গিয়েছে তল্লাশি শুরু হওয়ার প্রায় ২৪ ঘন্টার মধ্যেই মঙ্গলবার দুপুরে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, তেলেঙ্গানার সেকেন্দ্রাবাদ ক্যান্টনমেন্টে সেনার অস্ত্রাগার থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ লুটের ঘটনা ঘটে। সোমবার ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর তল্লাশি শুরু হয় এবং মঙ্গলবার দুপুরে চুরি হওয়া সমস্ত অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। চারটি AK47, সাতটি পিস্তল, ২১টি ম্যাগাজিন, প্রায় ১৯ হাজার রাউন্ড গুলি উধাও হয়েছিল।


