পুজোর আয়োজন করা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন কলকাতার বড় পুজো কমিটিগুলি। কারণ এখনও মণ্ডপ তৈরি থেকে ঠাকুরের বায়না অনেকেই দিয়ে উঠতে পারেনি। কারণ পুজো শেষ পর্যন্ত হবে কিনা এব্যাপারে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি রাজ্য প্রশাসন। এরমধ্যেই শহরের পুজো কমিটিগুলির সংগঠন ফোরাম ফর দুর্গাপুজো আবার একটি খসড়া প্রস্তাব দিয়েছে। 

আরও পড়ুন, কলকাতায় বৃষ্টির পূর্বাভাস, উত্তরবঙ্গে প্রবল দুর্যোগের আশঙ্কায় সর্তকতা জারি


ফোরামের তরফে বলা হয়েছে, প্যান্ডেল এমন ভাবে তৈরি করতে হবে যাতে বাইরে থেকে প্রতিমা দেখা যায়। তাহলে মণ্ডপের ভিতরে ছোট জায়গায় জমায়েত কমানো যাবে। ভিতরের আড়ম্বর যতটা সম্ভব কমানো উচিত বলে মনে করছে ফোরাম। একসঙ্গে ২৫ জনের বেশি মণ্ডপে প্রবেশ করতে দেওয়া যাবে না। প্রত্যেকের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক। ব্যারিকেড করে দূরত্ব বজায় রেখে যাতে দর্শনার্থীরা দাঁড়ান তা নিশ্চিত করতে হবে উদ্যোক্তাদের। সেই ব্যারিকেডে সংশ্লিষ্ট পুজো কমিটির যে স্বেচ্ছাসেবকরা থাকবেন তাঁদেরও সুরক্ষিত রাখার জন্য পিপিই পরাতে হবে।

আরও পড়ুন, করোনা দেহ সৎকারে নয়া উদ্য়োগ, হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চালু করল কলকাতা পুরসভা

পুজো উদ্যোক্তাদের কেন্দ্রীয় সংগঠনের তরফ থেকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি মণ্ডপের বাইরে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখা বাধ্যতামূলক করা উচিত। দিনে অন্তত একবার মন্ডপ স্যানিটাইজ করতে হবে। একই সঙ্গে থার্মাল গানও রাখতে হবে মন্ডপে প্রবেশ পথের সামনে। শরীরের তাপমাত্রা থাকলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হবে। আলো জাঁকজমক না করার পরামর্শ দিয়েছে ফোরাম। যাতে শুধু রাতে মন্ডপ দেখতে আসার প্রবণতা তৈরি না হয়। সারা দিন ধরে মানুষ এলে নির্দিষ্ট সময়ে অনেকের ভিড় এড়ানো সম্ভব বলে মনে করছেন তাঁরা। ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শাশ্বত বসু  জানিয়েছেন, সব দিক ভেবেই এই বিধি মানার তালিকা খসড়া আকারে প্রশাসনকে দেওয়া হয়েছে। 

 

করোনায় ফের ১ এসবিআই কর্মীর মৃত্য়ু, মৃতের পরিবারকে চাকরি দেওযার দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীরা

   পূর্ব ভারতের প্রথম সরকারি প্লাজমা ব্যাঙ্ক-কলকাতা মেডিকেল, করোনা রুখতে প্রস্তুতি তুঙ্গে

  মৃত্যুর পর ২ দিন বাড়ির ফ্রিজে করোনা দেহ, অভিযোগ 'সাহায্য মেলেনি স্বাস্থ্য দফতর-পুরসভার'

  অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকলের পরও কোভিড জয়ী ৫৪-র দুধ ব্যবসায়ী, শহরকে দিলেন এক সমুদ্র আত্মবিশ্বাস

কোভিড রোগী ফেরালেই লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতালগুলিকে হুঁশিয়ারি রাজ্য়ের