লকাডাউনে মদের দোকান খুলতেই রাজ্য়ের অনেক ক্রেতাই ফিরে পেল- মনবল। কেউ কেউ করোনা আতঙ্কও কাটিয়ে উঠল। যার জেরে কলকাতার কালীঘাটে ভীড়ের চোটে মুখ্য়মন্ত্রীর পাড়ায় ১৪৪ ধারাও তারা দিল ভেঙে। রাজ্য়ের একাধিক জায়গায় মদ কেনা-বেচা নিয়ে তৈরি হল নিয়ন্ত্রণ হারা ভীড়। ব্য়স তারপরই সুরাপ্রেমিদের খাতির যত্ন করতে আসরে নামে পুলিশ। শুরু হয় বেধড়ক লাঠিলার্জ। কিন্তু এরপরেও তাঁরা সব ভূলে গিয়ে এতটাই সতেজ হয়ে উঠল যে,  বাংলার ১০০ কোটির মদ ১০ ঘন্টার মধ্য়ে সাবাড়।

আরও পড়ুন, কলকাতায় কেন্দ্রীয় দলের সঙ্গে থাকা ৬ বিএসএফ করোনা আক্রান্ত, কোয়রান্টিনে আরও ৫০

 

লকডাউনে ছাড় পেয়ে মদের দোকান খোলার পরই রেকর্ড বিক্রি হল বাংলায়। মাত্র ১০ ঘণ্টায় ১০০ কোটি টাকার মদ বিক্রি হয়েছে। সোমবার বিক্রি শুরু হয়েছিল বিকেল তিনটে থেকে। মঙ্গলবার বেলা ১২টা থেকে সাতঘণ্টায় বিক্রি হয়েছে বিক্রি হয়েছে ৬৫ কোটি টাকার মদ। রাজ্যে দেশি ও বিদেশি মদ উভয় ক্ষেত্রেই রোজ গড়ে বিক্রি হয়েছে ৪০ থেকে ৪৫ কোটি টাকার মদ। রাজ্যে ১৬,০০০ থেকে ১৭,০০০ কোটি টাকার ব্যবসা দেয় এই শিল্প। শহরের রিটেইলারদের দাবি, সোমবার পূর্ণ সময় দোকান খোলা হলে দুদিনে ১২৫ কোটি টাকার ব্যবসা ছাড়িয়ে যেত। এক শীর্ষ রিটেইলারের কথায, 'মঙ্গলবার রাজ্যের ২,৫০০ মদের দোকানের মধ্যে প্রায় ১৭০০-১৮০০টি খুলেছে। দেরিতে নির্দেশ আসায় কনটেনমেন্ট জোনে না-থাকা কলকাতা ও হাওড়ার বেশ কিছু দোকান খুলতে পারেনি। তবে তা মঙ্গলবার থেকে খুলে যায়, এবং তার দারুণ চাহিদা ছিল।' 

 আরও পড়ুন, ভোররাত থেকেই কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি, প্রবল দুর্যোগ চলবে আগামী আরও ৭২ ঘণ্টা


অপরদিকে, গত ৯ এপ্রিল মদের উপর অতিরিক্ত ৩০% বিক্রয় কর বসিয়েছিল রাজ্য সরকার। দেশজুড়ে মদের দোকানের ঝাঁপ খোলার পর থেকেই সামাজিক দূরত্বের স্বাস্থ্য় বিধি লঙ্ঘন করেই তুলে মদ কিনতে পথে নেমেছেন সুরাপ্রেমীরা।  গোটা দেশজুড়ে মদের দোকানের বাইরে এই লাইন দেখে, যার জেরে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। উল্লেখ্য়, বাংলায় চালু হয়েছে মদের হোম ডেলিভারি। ওয়েস্ট বেঙ্গল বেভকো-এর পোর্টালে ইতোমধ্যে 'ই-রিটেল' অপশন চালু করা হয়েছে। সেখানে অর্ডার করলেই বাড়ির সামনের মদের দোকান থেকে সেই অর্ডার অনুযায়ী মদ বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। 

 

 

কেন্দ্র বলছে ১৩৩, রাজ্য়ের হিসেবে করোনায় মৃত ৬৮

শুধু কলকাতাতেই করোনা আক্রান্ত ৭০০, মহানগরকে ঘিরে ঘুম ছুটছে রাজ্য়বাসীর

করোনা উপসর্গ সহ মিজোরামের বাসিন্দার মৃত্য়ু হল কলকাতায়, ক্যানসারের জন্য় তিনি ছিলেন চিকিৎসাধীন

রাজ্যে করোনায় মৃত্যুর হারে দেশের শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ, বলছে কেন্দ্রের টিম

রোগী ফেলে পালাতে পারল না অ্যাম্বুল্যান্স, পিপিই পরা স্বাস্থ্য়কর্মীদেরকে তীব্র প্রতিবাদ নাকতলাবাসীর