রাজ্য অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে যে রিপোর্ট নেগেটিভ। এদিকে পরে হল মৃত্যু। তারপরে আবার পরীক্ষা করে জানা গিয়েছে, তার রিপোর্ট এসেছে পজিটিভ। এই জটিলতা থেকে মুক্তি দিতে স্বচ্ছ ধারণা তৈরি করতে শহরবাসীকে বিস্তারিত জানাবেন  রাজ্যের জন স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক কাজল কৃষ্ণ বণিক।

আরও পড়ুন, কোভিডে হাসপাতাল থেকে বাড়ি, সুস্থ হওয়ার কী সেই ১৭ দিনের ফান্ডা , জানুন বিস্তারিত

রাজ্যের জন স্বাস্থ্য আধিকারিক চিকিৎসক কাজল কৃষ্ণ বণিক জানিয়েছেন যে, 'প্রথমত কোনও রোগীর করোনা পরীক্ষা করার জন্য মূলত নাক বা মুখ থেকে সোয়াব বা লালারস সংগ্রহ করা হয়। ' এরপর কোভিড পরীক্ষার বিভিন্ন পদ্ধতিতিতে করা হয়। শহরে এই মুহূর্তে যেমন শুরু হয়েছে অ্য়ান্টিবডি টেস্ট।  চিকিৎসক কাজল কৃষ্ণ বণিক জানালেন, এই পরীক্ষাটি খুবই সহজ। সরঞ্জামের খরচ কম এবং সময়ও লাগে অনেক কম ৩০ থেকে ৪০ মিনিট। এই পরীক্ষায় রিপোর্ট পজিটিভ আসলে ধরে নেওয়া হয় পজিটিভ। কিন্তু নেগেটিভ আসার পরও যদি রোগীর কোভিড উপসর্গ দেখা যায় সেক্ষেত্রে কিন্তু এই রিপোর্ট গ্রহন যোগ্য নয়। তখন অন্য পদ্বতিতে পরীক্ষা করা হয়। সেখানে নেগেটিভ আসার অর্থ নিশ্চিত রুপে নেগেটিভ এবং পজিটিভ আসার অর্থ নিশ্চিত রুপে পজিটিভ। এই পদ্ধতির নাম কোভিড আরটি-পিসিআর। এই পরীক্ষা পদ্ধতির খরচও বেশি, দরকার হয় অত্যাধুনিক ল্য়াব এবং অভিজ্ঞতা প্রাপ্ত কর্মী। এই পদ্ধতিতে পরীক্ষা করতে একদিন প্রায় লেগে যায়। অর্থাৎ সময়সীমা ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টা', বলে জানান চিকিৎসক কাজল কৃষ্ণ বণিক।

আরও পড়ুন, কোভিডের ক্ষেত্রে কীকী উপসর্গ দেখলে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাওয়া উচিত, জানুন বিস্তারিত


প্রসঙ্গত শহরে এমন অনেকগুলি ঘটনাই ঘটেছে, যেখানে রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পরেও মৃত্যু হয়েছে। সেসকল ক্ষেত্রে কোভিড আরটি-পিসিআর পরীক্ষা অবলম্বন করলে সর্বোচ্চ নিশ্চিত ফলাফল পাওয়া যায়। সেখানে রোগীর রোগ ধরা পড়লে বেঁচে যাওয়ার প্রবণতা অনেকাংশেই বেড়ে যায়।

 

    

 

কোভিড রোগী ভর্তিতে ৫০ হাজার টাকার বেশি নেওয়া যাবে না, নয়া নির্দেশিকা জারি রাজ্যের

ভয় নেই করোনায়, মেডিক্য়ালের ৪ তলার কার্নিশে পা দোলাচ্ছে রোগী

ভুয়ো টেস্টের ফাঁদে পড়ে করোনায় মৃত্যু এক ব্য়াক্তির, গ্রেফতার প্রতারণা চক্রের ৩ জন

করোনায় ফের ১ এসবিআই কর্মীর মৃত্য়ু, মৃতের পরিবারকে চাকরি দেওযার দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীরা