নতুন করে লকডাউন ঘিরে ক্ষোভ প্রকাশ হরিদেবপুরের প্রগতি পল্লীতে। ওই এলাকায় সম্প্রতি সরকারি স্বাস্থ্য়কর্মী করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন, তখন সেখানে লকডাউন না করে এখন করার কী অর্থ বলে অভিযোগ তোলেন এলাকাবাসী। তাই নতুন লকডাউন শুরু হতেই পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন তাঁরা।

 আরও পড়ুন, বাগমারির একই বাড়িতে করোনায় আক্রান্ত ৬, আগামী সাত দিনের জন্য়ে ব্যারিকেড বসালো পুলিশ


সূত্রের খবর, শুক্রবার কনটেন্টমেন্ট জোন হরিদেবপুর থানা এলাকায় ১২৩ নম্বর ওয়ার্ড ভূবনমোহন রায় রোডে লালবাজারের শীর্ষ কর্তারা পরিদর্শনে আসেন। তারপরে শীর্ষ কর্তারা হরিদেবপুর থানা এলাকায় ১২৪ নম্বর ওয়ার্ড প্রগতি পল্লীতে যায়। সেখানেও পরিদর্শন করে। প্রগতি পল্লী বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রায় ১৮ দিন আগে এলাকার সরকারি স্বাস্থ্য কর্মীদের করোনা হয়। তারা সুস্থ হয়ে বাড়িও চলে আসে। তাহলে ১৮ দিন আগে কেনও এখানে লক ডাউন করল হল না। বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটা থেকে তাঁদের এলাকা এবং নির্দিষ্ট বাড়ি  ঘিরে দিয়েছে পুলিশ।  'যখন লক ডাউন করার দরকার ছিল,তখন হল না। সবাই এখন যাতায়াত করছে। এখন করে কী লাভ' বলে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন এলাকাবাসী।

আরও পড়ুন, ব্য়াঙ্ক কর্মীদের সংক্রমণের হার বাড়ছে, পরিষেবা দেওয়া নিয়ে মুখ্যসচিবকে চিঠি সংগঠনের

হরিদেবপুর থানা এলাকায় ভূবনমোহন রায় রোডের ওই এলাকায় যাদের করোনা হয়েছিল, তাদেরই মধ্য়ে একজন আমাদের সংবাদ মাধ্য়মের কাছে মনের কথা বললেন। 'করোনা মানুষকে মারে না, মনুষত্বকে মেরে দিচ্ছে। কাদের জন্য কাজ করছি, এলাকার মানুষ বাড়ি থেকে ছবি তুলছে। হোয়াটস্অ্য়াপে স্টাটাস দিচ্ছে। এটি কি মনুষত্ব', প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। অন্য় এক এলাকাবাসী জানালেন, 'এলাকায় বাইরের মানুষ যাতায়াত করছে। আসছে বাইরে থেকে গাড়ি। অথচ পুলিশ কিছুই করছে না। এভাবে চলতে থাকলে, করোনার সংক্রমণ আরও বাড়বে বই কমবে না' বলে পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন ওই ব্য়াক্তি।

 

 

   পূর্ব ভারতের প্রথম সরকারি প্লাজমা ব্যাঙ্ক-কলকাতা মেডিকেল, করোনা রুখতে প্রস্তুতি তুঙ্গে

  মৃত্যুর পর ২ দিন বাড়ির ফ্রিজে করোনা দেহ, অভিযোগ 'সাহায্য মেলেনি স্বাস্থ্য দফতর-পুরসভার'

 করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু এক সেনা কর্তার, ফোর্ট উইলিয়ামের শোকের ছায়া

  অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকলের পরও কোভিড জয়ী ৫৪-র দুধ ব্যবসায়ী, শহরকে দিলেন এক সমুদ্র আত্মবিশ্বাস

কোভিড রোগী ফেরালেই লাইসেন্স বাতিল, হাসপাতালগুলিকে হুঁশিয়ারি রাজ্য়ের