Dilip Ghosh News: বাংলার একাধিক রেস্তরাঁয় খাবারের ভেজাল থেকে শুরু করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গেরুয়া যাত্রা। বিভিন্ন বিষয়ে মুখ খুলেছেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। কী বলেছেন তিনি? বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন।।
Dilip Ghosh News: রাজ্যজুডে় চলছে বিভিন্ন নামীদামি কিংবা রাস্তার পাশের হোটেল-রেস্তরাঁগুলির খাবারের গুণগত মান যাচাইয়ের কাজ। খাদ্য সুরক্ষা দফতরের আধিকারিকদের অভিযানে ধরা পড়ছে একাধিক অনিয়ম। বাতিল করা হয়েছে বহু নামজাদা হোটেল, রেস্তরাঁর লাইসেন্স। এবার এই নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের পঞ্চায়েত দফতরের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। প্রতিদিনের মতো বুধবারও কলকাতার নিউ টাউনে ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে যান তিনি। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে একাধিক ইস্যুতে মুখ খুলেছেন রাজ্যের মন্ত্রী।
৪০ খাদ্য প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স সাসপেন্ড। আমরা কি এতদিন কুখাদ্য খাচ্ছিলাম?
সংবাদ মাধ্যমের এই প্রশ্নের জবাবে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে বিঁধে তিনি সাফ বলেন যে- ''এই সরকার সমস্ত কিছু ঠিক করার চেষ্টা চলছে। সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন, এবার আপনারাও প্রতিবাদ করুন। অভিযোগ বারবার এসেছে। কোনও দিন সমাধানের চেষ্টা হয়নি। যত রকমের বেআইনি কাজ হোটেল রেস্তোরাঁতে হয়। খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে আমরা কম গুরুত্ব দিই। তাই আমাদের স্বাস্থ্য খারাপ। আবার ভালো চিকিৎসা পাবেন তারও উপায় নেই। কারণ আগের সরকার স্বাস্থ্য পরিষেবা বলেও কিছু রাখেনি।''
পশ্চিমবঙ্গে ৯১৯ হোটেল গেস্ট হাউসের লাইসেন্স সাসপেন্ড:-
''পুজোয় প্রচুর মানুষ এখানে আসেন। এতো হোটেল গেস্ট হাউসের লাইসেন্স ক্যানসেল হলে তারা কলকাতায় এসে থাকবেন কোথায়? তাই আমার পরামর্শ, এখনও সময় আছে। আপনারা সব পরিকাঠামো ঠিকঠাক করে নিন। সরকারের কাছে লাইসেন্স রিনিউ করার আবেদন জানান। নাহলে পুজোয় এর প্রভাব পড়বে। যারা হোটেল চালাচ্ছেন তাদের সতর্ক থাকতে হবে। গত ১০ বছরে যে যেমন খুশি পেরেছে হোটেল করে নিয়েছে। আমি মন্দারমনি গিয়ে দেখেছি সমুদ্রের ওপর হোটেল হয়ে গেছে। এইভাবে তো চলতে পারেনা। প্রকৃতির ক্ষতি করে হোটেল করলে তো এখানেও নেপাল বা সিকিমের মতো অবস্থা হবে।''
স্মিতা পান্ডের উপস্থিতিতে মধ্যরাতে রাস্তা সারাই:-
এই বিষয়ে বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন যে, ''মুখ্যমন্ত্রী পূর্ত দফতরকে ৫০০ কোটি দিয়েছেন। আমি পঞ্চায়েত থেকে রাস্তা সারাইয়ের টাকা দিয়েছি। ১০ অক্টোবরের মধ্যে সব রাস্তা ঠিক হয়ে যাবে।''
মুখ্যমন্ত্রীর গেরুয়া যাত্রা:-
''বাংলার মাথায় কালো দাগ হয়ে গেছে যাদবপুর। এই শহর থেকে দুটি দেশের জাতীয় সঙ্গীত রচনা হয়েছিল। সেই শহরের বুকে ভারত বিরোধী স্লোগান দেওয়া হয়েছে বারেবারে। দেশের অখণ্ডতা কে যাদবপুর থেকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। কিছু অর্বাচীন ছাত্রছাত্রীকে ভুল বুঝিয়ে এগুলো করানো হয়েছে। অথচ এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বেরিয়ে তারা স্লোগান ভুলে গিয়ে উজ্জ্বল কেরিয়ার গড়েছে। সারা দেশে সফল ভাবে রাষ্ট্রবাদী আন্দোলন চলছে। আমরা চাই যাদবপুর থেকে ভারত তেরে টুকরে হোঙ্গে স্লোগানের বদলে রাস্ট্রবাদী স্লোগান উঠুক। তাই একটা পজিটিভ ভাইব তৈরি করতে এই ধরনের কর্মসূচির প্রয়োজন আছে।''

