- Home
- West Bengal
- Kolkata
- Nabanna DA: পুজোর আগে ফের বাড়ছে সরকারি কর্মীদের ডিএ? কেন্দ্রের সঙ্গে ফারাক নিয়ে বড় বার্তা নবান্নের
Nabanna DA: পুজোর আগে ফের বাড়ছে সরকারি কর্মীদের ডিএ? কেন্দ্রের সঙ্গে ফারাক নিয়ে বড় বার্তা নবান্নের
পুজোর আগে নতুন করে ডিএ বৃদ্ধি হবে বাংলার সরকারি কর্মীদের? এমনকী ধীরে ধীরে মিটিয়ে দেওয়া হবে কেন্দ্রের সঙ্গে থাকা ফারাকও! বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। পুজোর মাসেই ঢুকবে মোটা টাকা! কত পাবেন সরকারি কর্মীরা?

প্রতিশ্রুতি মতো ক্ষমতায় এসেই সরকারি কর্মীদের (Government Employees) মহার্ঘ ভাতা (Dearness Allowance) বা ডিএ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি সরকার। প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট থেকে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২০ শতাংশ হারে ডিএ বৃদ্ধির ঘোষণা করেছিল শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। যা ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।

ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর
প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট থেকেই একধাক্কায় ২০% ডিএ বৃদ্ধির অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য। যার ফলে ৩৮% হারে ডিএ পেতে চলেছেন বাংলার সরকারি কর্মীরা। বর্তমানে বর্ধিত ডিএ হাতে পাওয়ার অপেক্ষায় সকলে। এরই মধ্যে আরও একধাপ এগিয়ে মহার্ঘ ভাতা নিয়ে বড়ো ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নিউটাউন কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত রাজ্যের শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠানে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বড় ঘোষণা, পুজোর মাসে অগ্রিম বেতনের সঙ্গেই বর্ধিত হারে ২০ শতাংশ ডিএ মিলবে। বর্ধিত ডিএ পাবেন শিক্ষক-শিক্ষিকারাও। এর আগে রাজ্য ও কেন্দ্রের DA-র ব্যবধান কমিয়ে আনা হবে এবং বকেয়াও ধীরে ধীরে মিটিয়ে দেওয়া হবে বলে সরকারি কর্মীদের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
সাধারণত রাজ্য কর্মীদের মাসের শেষ ওয়ার্কিং ডে’তে বেতন দেওয়া হয়ে থাকে। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে দেওয়া হয় পরের মাসের পয়লা তারিখে। যদিও পুজোর মরশুমে সেটা অগ্রিম বেতন দেওয়া হয়। বর্তমান বিজেপি সরকারের আমলেও সেই রীতিই বজায় থাকবে। এমনটাই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
চলতি বছর সরকারি অফিসে দুর্গাপুজোর ছুটি ১৫ অক্টোবর থেকে যেহেতু পড়ে যাচ্ছে সেক্ষেত্রে ১৩ বা ১৪ অক্টোবর মাসের মাইনে অগ্রিম ঢুকবে কর্মচারীদের অ্যাকাউন্টে। বর্ধিত হারে মহার্ঘ ভাতাও একইসঙ্গে দেওয়া হবে সরকারি কর্মচারীদের।
রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা, ‘আপনাদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের বর্তমানে ডিএ’র ফারাক ৪২ শতাংশ। আমরা পুজোর আগেই অ্যাডভান্স বেতন দেব, ২০ শতাংশ ডিএ অ্যাডিশনাল করেই দেব।’
একইসাথে পে কমিশন নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস, ‘আমরা সপ্তম পে কমিশন তৈরি করে দিয়েছি। রিপোর্ট এলেই তা কার্যকর করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কারণ, অর্থনৈতিক সুরক্ষাও একটা বিষয়। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির যুগে অর্থনৈতিক সুরক্ষাটাও গুরুত্বপূর্ণ।’
এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি সরকারি কর্মীরা। কারণ, পুজোর আগে অতিরিক্ত টাকা হাতে এলে উৎসবের খরচ সামলাতে অনেকটাই সুবিধা হবে কর্মীদের। নতুন পোশাক থেকে শুরু করে পুজোর কেনাকাটা, পরিবারের অন্যান্য খরচ—সব ক্ষেত্রেই এই বাড়তি টাকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।
শুধু রাজ্য সরকারি কর্মচারীরাই নন, বর্ধিত ডিএর সুবিধা পাবেন শিক্ষক-শিক্ষিকারাও। ফলে সরকারি স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের মধ্যেও এই ঘোষণা নিয়ে তৈরি হয়েছে আগ্রহ। কবে থেকে ঠিক কীভাবে বর্ধিত টাকা বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে, সেদিকেই এখন নজর সংশ্লিষ্ট সকলের।
এদিকে, দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্য সরকারি কর্মীদের অন্যতম বড় দাবি ছিল কেন্দ্র ও রাজ্যের ডিএ-র ব্যবধান কমানো। সেই বিষয়েও কর্মীদের আশ্বস্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতার ব্যবধান ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি অতীতের বকেয়া ডিএ-ও একসঙ্গে নয়, ধাপে ধাপে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

