ইতিমধ্যেই পর্যটকদের কাছে দারুন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বেঙ্গল সাফারি পার্ক। যাঁরা উত্তরবঙ্গে ঘুরতে আসছেন, তাঁদের ভ্রমণ তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে এই সাফারি পার্ক। দর্শকরা যাতে সহজে গোটা সাফারি পার্ক ঘুরে দেখতে পারেন, তার জন্য বাস,হাতির পাশাপাশি এবার লাইনবিহীন টয়ট্রেন চালু হল। বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব এ দিন এই পরিষেবা শুরু করেন। 

তিরিশ আসন বিশিষ্ট এই ট্রেনে মাথাপিছু ভাড়া ধার্য করা হয়েছে মাত্র পঁচিশ টাকা করে। কলকাতার ইকো পার্কেও এই ধরনের ট্রেন রয়েছে। বেঙ্গল সাফারিতে মূল আকর্ষণই উন্মুক্ত পরিবেশে কাছ থেকে জীবজন্তুদের দেখার সুযোগ। টয়ট্রেন চালু হয়ে যাওয়ায় বড়দিন এবং নতুন বছরের আগে সাফারি পার্কের আকর্ষণ অনেকটাই বেড়ে গেল। কিছুদিন আগেই এই পার্কে জন্মানো দুই রয়্যাল বেঙ্গল শাবক রিকা এবং কিকাকে দর্শকদের সামনে ছাড়া হয়েছে। তাদের মধ্যে একটি সাদা বাঘও রয়েছে। এই টয় ট্রেনে ঘুরতে ঘুরতে তাঁদেরও দেখা পাবেন পর্যটকরা। 

আরও পড়ুন- হঠাৎ বিকল বাস, শিলিগুড়িতে বাঘের মুখ থেকে ফিরলেন পর্যটকরা

আরও পড়ুন- সামনে এল রিকা- কিকা, পুজোর আগে আকর্ষণ বাড়ল বেঙ্গল সাফারি পার্কের

বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে সাফারি পার্ককে নিয়ে আরও অনেক পরিকল্পনা রয়েছে বন দফতরের। সাফারি পার্কের দ্বিতীয় পর্যায়ে বাটারফ্লাই পার্ক, বিদেশের কায়দায় বার্ড এনক্লোজার, অ্যাকোয়ারিয়াম তৈরি করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান বনমন্ত্রী। দর্শকদের জন্য বিশেষ শো-এর ব্যবস্থা করারও চেষ্টা করা হচ্ছে। বনমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ডিপিআর তৈরি হয়ে গিয়েছে।

পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই এই সাফারি পার্ক রক্ষণাবেক্ষণের খরচ টিকিট বিক্রির টাকা থেকেই উঠে আসছে। ভবিষ্যতে দর্শকদের ভিড় আরও বাড়বে বলে আশাবাদী গৌতমবাবু।