
শীতের ফুলকপি কে না ভালবাসে। ছোটরা তো বটেই, বড়রাও কিছু কম যায় না। তবে যাঁরা ভাবেন এই ফুলকপি মানেই শুধু সুস্বাদু এক সবজি, তা কিন্তু নয়। এরও কিন্তু অনেক গুণ রয়েছে।
হাফ ইঞ্চি করে কাটা মোটামুটি ১০৭ গ্রামের কাছাকাছি ওজনের এককাপ কাঁচা ফুলকপিতে থাকে ২৭ ক্য়ালোরি, প্রোটিন ২ গ্রাম, ফ্য়াট ০.৩ গ্রাম, কার্বোহাইড্রেট ৫ গ্রাম, যার মধ্য়ে সুগার ২ গ্রাম আর ফাইবার ২.১ গ্রাম, ২৪ মিলিগ্রাম ক্য়ালসশিয়াম, ১৬ মিলিগ্রাম ম্য়াগনেশিয়াম, ৪৭ মিলিগ্রাম ফসফরাস, ৩২০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম, ৫১.৬ মিলিগ্রাম ভিটামিন-সি, ১৬.৬ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন-কে, ০.১৯৭ মাইক্রোগ্রাম ভিটামিন -জি-৬ আর ৬১ মাইক্রোগ্রাম ফোলেট। এছাড়াও অল্প পরিমাণে থাকে থায়ামিন, রাইবোফ্লেবিন, নিয়াসিন, প্য়ান্টোথেনিক অ্য়াসিড, আয়রন, ম্য়াঙ্গানিজ ইত্য়াদি।
ফুলকপি ওবেসিটি, ডায়াবেটিস ও হার্ট ডিজিসের ঝুঁকি কমায়। শরীরের এনার্জির পরিমাণ বাড়ায় ও ওজম কমাতে সাহায্য় করে। ফুলকপিতে ভাল পরিমাণে ফাইবার ও জল থাকে। যার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য়ের সমস্য়া এটি খুব ভাল কাজ করে। কোলন ক্য়ানসারের ঝুঁকি কমায় ফুলকপি। ফুলকপিতে থাকা ফাইবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য় করে। প্রদাহ কমাতেও সাহায্য় করে, যার ফলে প্রদাহজনিত সমস্য়া যেমন, কার্ডিয়োভাসকুলার ডিজিস, ডায়াবেটিস, ওবেসিটি ও ক্য়ানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য় করে। ফুলকপিতে থাকা ফাইবার, ব্লাড প্রেসার ও কোলেস্টেরলের মাত্রাকে কমাতে সাহায্য় করে। এতে থাকা বিভিন্ন ধরনের অ্য়ান্টি অক্সিডেন্ট কোষের বিভাজনকে প্রতিরোধ করে ক্য়ানসারের ঝুঁকি কমায়। দেখা গিয়েছে, ফুলকপি ব্রেস্ট ক্য়ানসার ও রিপ্রোডাকটিভ ক্য়ানসারের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য় করে। ঝুঁকি কমায় লাং ও কোলন ক্য়ানসারের। ফুলকপিতে থাকা কোলাইন, 'ভিটামিন লাইক ফ্য়াকটর', পেশি সঞ্চালন, স্মৃতিশক্তি ও ঘুমের পক্ষে খুব কার্যকরী। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন-কে হাড়ের স্বাস্থ্য় সুরক্ষায় কাজ করে অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধ করে।
Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News