শীত-গ্রীষ্ম বর্ষা যদি আপনার ভরসা শশাতেই থাকে তাহলে চোখ বন্ধ করে গরমের দিনগুলিতে খাবারের পাতে রাখুন একটুকরো শশা। কারণ শশাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে জল। যা আপনার শরীরকে ডিহাইড্রেট রাখতে সাহায্য করবে।
210
তরমুজ (Watermelon)
গরমকাল মানেই বাজারে তরমুজের মেলা। এই তরমুজ শুধু যে খেতেই ভালো তা নয় নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর তরমুজ গ্রীষ্মকালের সেরা ফল। কারণ এই ফলের ৯২% জলীয় অংশ থাকে, যা শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।
310
কাঁঠাল (Jackfruits)
'কাঁঠাল' নামটা শুনলেই অনেকেই নাক সিটকান। কিন্তু রসালো স্বাদের এই ফলের মধ্যে থাকা ভিটামিন ও মিনারেল গরমে শরীরকে সুস্থ রাখে। এই ফল শরীরকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। ভিটামিন সি থাকায় পাকা কাঁঠাল খেলে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।
চৈত্রের শেষ থেকেই পাক ধরতে শুরু করে মিষ্টি জাতের এই ফল। খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনই এর উপকার গুণও বহু। গরমে সুস্থ থাকতে খাবারের তালিকায় রাখতে পারেন এই আতা ফল।
510
মুসাম্বি লেবু (Sweet Lemon)
এই গরমে লেবুর শরবত শরীরকে সতেজ করে এবং খনিজ ঘাটতি পূরণ করে। লেবুতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। অত্যাধিক গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখে লেবু।
610
পাতিলেবু (Lemon)
গরমে খাবারের পাতে বা ভাতের পাতে রাখুন এক টুকরো পাতিলেবু। শরীর মন দুটোই ফুরফুরে রাখবে এই লেবু।
710
লিচু (Litchi)
গ্রীষ্মকাল মানেই লিচুর মেলা। লিচুতে ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শরীরের জন্য অনেক উপকারি। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে এবং হজমে সাহায্য করে।
810
পাকা পেঁপে ( Papaya)
বৈশাখ-জৈষ্ঠ্যের তীব্র দাবদাহে পাকা পেঁপে হজমশক্তি বাড়িয়ে তুলবে আপনার। এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
910
আনারস (Pineapple)
গরমের দিনগুলিতে আনারস আমাদের শরীরে জলের পরিমাণ বজায় রাখতে সাহায্য করে। শরীর ঠান্ডা রাখে। তবে আবার অতিরিক্ত আনারস খাওয়া মোটেও ভালো না। তখন হিতে বিপরীত হতে পারে।
1010
আম (Mango)
গ্রীষ্মের মরশুমের প্রধান ফলই হল আম। রসালো মিষ্টি স্বাদের এই ফল ছাড়া গরমকাল যেন অসম্পূর্ণ। আমে রয়েছে ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ এই ফল গরমকালে শরীরের জন্য খুবই উপকারি।