তেলের দাম বেড়ে চলেছে। কিন্তু যাত্রী ভাড়া বাড়ছে না। আনলক ওয়ান চলছে সেই কারণে  নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি যাত্রী  তারা তুলতে পারছে না। যার জেরে বন্ধ হয়ে গেল   শহরের প্রায় চল্লিশটি রুটের বেসরকারি বাস-মিনিবাস। যেগুলোর অধিকাংশই উত্তর শহরতলির সঙ্গে কলকাতার যোগাযোগ রক্ষা করে। 
 

আরও পড়ুন, তাপমাত্রা-আদ্রতা বেড়ে মিলছে না স্বস্তি, শনিবার ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস বাংলায়

শুক্রবার  পরিবহণ দপ্তরের এক্সপার্ট কমিটি বাস সংগঠনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে।  বাস মালিকদের দাবি, ট্রেন চালু হলে কীভাবে যাত্রী ভীড় নিয়ন্ত্রন করা হবে সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে ঠিক হয়েছে দুটি বাসের সময়ের ব্যবধান কমিয়ে ঘনঘন বাস চালাতে হবে। যাতে যাত্রীদের বেশিক্ষণ বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষা করতে না হয়। পাশাপাশি এক বাসে ভিড় না হয়ে যায়। বাস মালিক সংগঠনের দাবি, শুক্রবার থেকে ২৩০, ২১৪, ২১৪এ, ৩০এ, ৩০এ/১, ৭৮, ৭৮/১, ৩২এ, ২০২, ২৩৪, ৩সি/১-সহ আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রুটের বাস বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই সমস্ত রুটের বাসগুলি অধিকাংশই উত্তর শহরতলি থেকে ছেড়ে শহরে ঢোকে। এগুলি বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে ডানলপ, সোদপুর বারাকপুর, দমদম, সিথির মোড়, চিড়িয়ামোড় এলাকার যাত্রীরা বেশি সমস্যায় পড়বেন। টালা ব্রিজ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হওয়ার পরে বেশ ভোগান্তি শুরু হয়েছে। এদিকে অফিস কাছারি খোলার পর বাস কমে যাওয়ায় সমস্যা আরও বেড়েছে। তবু যে কটা চালু ছিল তাও বন্ধ হওয়ায়  ভোগান্তি বেড়েছে।

আরও পড়ুন, আজ পশ্চিমবঙ্গের জন্মদিবস, স্বাধীনতার সে সময় কতটা সঙ্কটে ছিল বাংলা


প্রসঙ্গত, লকডাউন শিথিলের প্রথম দিকে শহরে সরকারি বাস পরিষেবা চালু হলেও, চালু হয়নি বেসরকারি বাস পরিষেবা। প্রথমত বেসরকারি বাস সংগঠন ২০ জন যাত্রী নিয়ে বাস চালাতে রাজি ছিল না। এরপর মুখ্য়মন্ত্রী যত সিট তত যাত্রী নিয়ম করলে অনেক বেসরকারি মালিক পক্ষ রাজি হলেও বাধ সাধে বেশিরভাগই। তাদের মূলত বাসভাড়া বাড়ানো, স্বাস্থ্য়বীমা সহ একাধিক দাবি ছিল। কিন্তু রাজ্য সরকার ভাড়া বাড়ানোর দাবি অনুমোদন করেনি।  বাসমালিকদের যুক্তি, লকডাউন পর্বে তাঁদের ব্যাঙ্কে ঋণের মাসিক কিস্তি দিতে হয়েছে। কর ছাড়ের ব্যাপারে সরকার আশ্বস্ত করেনি। উল্টে এত মাস বাস বন্ধ থাকায় ব্যাটারি-সহ অনেক যন্ত্রাংশ বিকল হয়েছে। বাস নামানোর আগে সেগুলি সারাই করতে খরচ হয়েছে। তার উপরে নিত্য লোকসানের বহন করা মুশকিল। যার জেরে অনেক বেসরাকরি বাসের মালিক সংগঠন রাস্তায় বাস নামাতে ছিল নারাজ। এদিকে যাও বা বেসরকারি বাস অবশেষে চালু হল, তারই মাঝে কলকাতায় চড়তে শুরু করল ডিজেল-পেট্রোলের দাম। ইতিমধ্যেই কলকাতায় পেট্রোলের দাম ৮০ টাকা  ছাড়িয়েছে। ডিজেলের দামও বেড়ে ৭২ টাকা ছাড়িয়েছে। এদিকে স্বল্প সংখ্য়ক যাত্রী দিয়ে বাসের খরচ তুলতে পারছে না বলে দাবি তাঁদের। তাই আপাতত আশঙ্কার মুখেই , সোমবার অফিস খুললেই যাত্রী ভোগান্তি আরও বাড়বে।

 

 

 করোনা আক্রান্ত বেলুড়ের এক মহারাজ, মঠ খোলার দিন আপাতত অনিশ্চিত

করোনা আক্রান্ত হয়ে ফের মৃত্যু এক কলকাতা পুলিশকর্মীর, উদ্বিগ্ন লালবাজার

করোনায় সুরক্ষাবিধি নিয়ে বিক্ষোভের জের, বদলি ১৩ পুলিশকর্মীর

করোনা আক্রান্ত নিজাম প্যালেসের এক সিবিআই আধিকারিক, স্যানিটাইজ করা হল পুরো অফিস

করোনা আবহে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থের প্রাক্তন স্ত্রী-শাশুড়ির দেহ উদ্ধার, তদন্তে পুলিশ

 পিটিএসে নতুন করে আক্রান্ত আরও ৮, করোনা মুক্ত হয়ে কাজে ফিরলেন ১০০ পুলিশ কর্মী

দেহ রাখার জায়গা না থাকায় ডিপ ফ্রিজ বসছে মেডিকেলের মর্গে, মৃতদেহ 'ম্যানেজমেন্ট'-এ নিয়োগ অ্যাসি