মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন একি কাণ্ড! ক্লাসরুমে ঢুকে পড়ল ঝাঁকে ঝাঁকে মৌমাছি। কামড় খেল বেশ কয়েকজন পড়ুয়া। তাদের বাঁচাতে গিয়ে আবার গুরুতর হলেন সিভিক ভলান্টিয়ারও। হাসপাতালে ভর্তি তিনি। আতঙ্ক ছড়াল উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের কৈলাস চন্দ্র রাধারানী উচ্চ বিদ্যালয়ে।

আরও পড়ুন: পুরভোটের আগে মাও আতঙ্কে জঙ্গলমহল, লালকালিতে পোস্টার পুরুলিয়ায়

আরও পড়ুন: পোলবা পুলকারকাণ্ডে তিনপক্ষকে নিয়ে বৈঠক পুলিশের, পরিস্থিতি কি বদলাবে

ঘড়িতে তখন দুপুর সাড়ে বারোটা। রায়গঞ্জের কৈলাস চন্দ্র রাধারানী উচ্চ বিদ্যালয়ে মাধ্য়মিক পরীক্ষা চলছিল। আচমকাই ঘটল বিপত্তি। আতঙ্কে তখন রীতিমতো ছোটাছুটি করতে শুরু করেছে পরীক্ষার্থীরা। কী ব্যাপার? একটু ভালো করে খেয়াল করতেই শিক্ষক-শিক্ষিকারা বুঝতে পারেন, পড়ুয়াদের তাড়া করেছে মৌমাছির দল! হুল ফুটিয়েছে বেশ কয়েকজন পড়ুয়ার শরীরেও। আক্রান্তদের উদ্ধার  করে নিয়ে যাওয়া হয় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে।  প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয় সকলেই। শেষপর্যন্ত পুলিশের সাহায্যে মৌমাছিদের তাড়ানোর ব্য়বস্থা করে স্কুল কর্তৃপক্ষই। নির্বিঘ্নেই শেষ হয় পরীক্ষা। অতিরিক্ত পনেরো মিনিট সময়ও দেওয়া হয় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের। এদিকে স্কুলের যখন এই কাণ্ড চলছে, তখন কর্তব্য়রত এক সিভিক ভলান্টিয়ার মৌমাছিদের হাত থেকে পড়ুয়াদের বাঁচাতে যান বলে জানা গিয়েছে। মৌমাছির কামড়ে তিনি নিজেও গুরুতর জখম হন। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। চিকিৎসা চলছে ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের।

 

এর আগে মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন দু'দিন ধরে চটুল গানের আসর বসেছিল রায়গঞ্জে। ডিজে ও মাইকের বিকট শব্দে জেরবার হতে হয় পড়ুয়াদের। পুলিশকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি বলে অভিযোগ। শেষপর্যন্ত অনুষ্ঠান শেষে মঞ্চে ভাঙচুর চালান স্থানীয় বাসিন্দারা। এবার পরীক্ষাকেন্দ্রে মৌমাছির কামড় খেতে হল পরীক্ষার্থীদের।