কুলদেবী সিংহ বাহিনী দুর্গা রূপে পুজিত হন অষ্টধাতুর মূর্তি, পুজোতে তৈরি হয় বিশেষ 'দুগ্গা চচ্চড়ি' ভোগ

Published : Oct 15, 2020, 01:39 PM IST
কুলদেবী সিংহ বাহিনী দুর্গা রূপে পুজিত হন অষ্টধাতুর মূর্তি, পুজোতে তৈরি হয় বিশেষ 'দুগ্গা চচ্চড়ি' ভোগ

সংক্ষিপ্ত

  চারশো বছরেরও বেশী  পুরোনো এই বনেদী বাড়ীর দুর্গা পুজো কুলদেবী সিংহ বাহিনী দুর্গা রূপে পুজিত হন অষ্টধাতুর মূর্তি বিসর্জন হয় দেবীর পাদমূলের বিল্বপত্র এই শোভাযাত্রা দেখতে ভীড় করেন হাজার হাজার দর্শনার্থী

খানাকুল , উত্তম দত্ত : খানাকুলের রাজহাটি গ্রামে চারশো বছরেরও বেশী  পুরোনো এই বনেদী বাড়ীর দুর্গা পুজো। পরিবারের কুলদেবী সিংহ বাহিনী দুর্গা রূপে পুজিত হন অষ্টধাতুর মূর্তি। তাই এই মূর্তি বিসর্জন হয় না। বিসর্জন হয় দেবীর পাদমূলের বিল্বপত্র। পারিয়ালদেরই একটি  পুকুরে , পরিবারের সদস্যরা এই বিল্বপত্র মাথায় করে  শোভাযাত্রা সহকারে নিয়ে যান এবং বিসর্জন দেন। প্রায় দেড়শো জন পরিবারের সদস্য এই বিল্বপত্র মাথায় করে নিয়ে যান। আর সঙ্গে থাকে নহবত। খানাকুলের হীরাপুর গ্রাম থেকে আসে এই নহবত। এটাই চলে আসছে যুগ যুগান্তর ধরে। এই শোভাযাত্রা দেখতে ভীড় করেন হাজার হাজার দর্শনার্থী। 

এই অতিমারির কারণে সব কিছুতেই রাশ টানতে চাইছেন পারিয়াল পরিবার।  তাই জমিদার বাড়ীর মূল ফটক সংকুচিত করে সীমিত ভাবে দর্শনার্থীদের প্রবেশের কথা ভেবে রেখেছেন তাঁরা। মূল দ্বারে স্যানিটাইজেশন করিয়ে দর্শনার্থীদের প্রবেশ করানো হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। খানাকুলের পারিয়াল জমিদার বাড়ীর অন্যতম একটি রীতি রয়েছে। আর তা হল প্রতিবার পুজোয় 'দুগ্গা চচ্চড়ি' খাওয়া। পুজোর সময়ে আশেপাশের গ্রামের লোকেদেরও খাওয়ানো হয় এই মহাভোগ। আর এই দুগ্গা চচ্চড়ি খেতে প্রচুর লোক ভীড় করেন পারিয়াল জমিদার বাড়ীতে। কিন্তু করোনা আবহে আর সেই ঝুঁকি নিতে চাইছেন না পারিয়াল পরিবার ।  

আরও পড়ুন- ঠাকুর দালানে ভোগের নামে পৌঁছত বিপ্লবীদের জন্য খাবার, চন্দননগরের হরিহর শেঠের বাড়ির দুর্গাপুজো                                                                         

 কিন্তু ' দুগ্গা চচ্চড়ি'  টা কি?  ওই জমিদার বাড়ীর বংশধর রাজীব পারিয়াল বললেন , এই দুগ্গা চচ্চড়ির মূল উপকরণ হলো কচু এবং ঘুসো চিংড়ি। আমরা দশমীর দিন দুপুরে গ্রামের বাসিন্দাদের নিমন্ত্রণ করি। ভাত , ডাল , মাছের সঙ্গে এই এই দুগ্গা চচ্চড়ির উপকরণ থাকবেই। সারা বছরের মধ্যে এই পুজো উপলক্ষে আমরা পরিবারের সদস্যরা একত্রিত হই। আমরাও সবাই খাই আর গ্রামবাসীরাও এই ভোগ নিতে আসেন। এটা প্রায় ২০০ বছর ধরে চলে আসছে বংশপরম্পরায় । কিন্তু খারাপ লাগছে, এই বারে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য এই প্রথম আমরা দুগ্গা চচ্চড়ির ব্যাপারটা আমাদের পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখবো। অর্থাৎ সেই প্রসাদ আর বহিরাগতদের বিরতণ করা হবে না। 

PREV

Lifestyle Tips & Articles in Bangla (লাইফস্টাইল নিউজ): Read Lifestyle Tips articles & Watch Videos Online - Asianet Bangla News

click me!

Recommended Stories

তৈলাক্ত ত্বকের কারণে নাজেহাল? জেনে নিন এই মরশুমে ত্বকের যত্ন নেবেন কী করে
ডালের বড়ি বাঙালির ঘরে ঘরে খুবই সহজলভ্য, কিন্তু এই বড়ি খাওয়ার উপকারিতা জানেন কী?